জাতীয়

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা নিয়ে যা জানাল নির্বাচন কমিশন


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০:০৭ এএম

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা নিয়ে যা জানাল নির্বাচন কমিশন
ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল দ্রুত ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের ভাষ্য, সংবিধান অনুযায়ী পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পর গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন বাধ্যতামূলক। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুসারে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে। এ নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন।

বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের ৩৫০ জন সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার। সেই অনুযায়ী ভোটার তালিকা প্রস্তুত করবে নির্বাচন কমিশন। এরপর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।

নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের মতোই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল প্রকাশ করা হবে। একাধিক প্রার্থী থাকলে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আর একমাত্র প্রার্থী থাকলে তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।

তিনি বলেন, শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির কারণে নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় বন্ধ থাকবে। ফলে আগামী রোববার অথবা তার পরবর্তী কার্যদিবসে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

এর আগে শুক্রবার বিকেলে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানান, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের স্বাক্ষর করা পদত্যাগপত্র বিকেল ৫টা ১ মিনিটে তার কাছে জমা দেওয়া হয়েছে এবং তিনি তা গ্রহণ করেছেন।

স্পিকার বলেন, সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করে স্পিকার জানান, গুরুতর অসুস্থতা এবং বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক জটিলতার কারণে মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করতে অপারগ হওয়ায় পদত্যাগ করেছেন।

উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।