রবিবার, ৩ মার্চ ২০২৪ | ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০
বেটা ভার্সন
Dhaka Prokash

জেলা পরিষদকে কার্যকর করতে সবার অর্থবহ ভূমিকা প্রত্যাশিত

জেলা পরিষদ আইন-২০০০ এ জেলা পরিষদকে আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় অন্যান্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিদের সাথে পরামর্শ করে বার্ষিক ও পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পাদনের ম্যান্ডেট দিয়েছে। বিকেন্দ্রীকরণ প্রায়ই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বৃদ্ধির প্রক্রিয়ায় সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্রিয় অংশগ্রহণের সাথে যুক্ত। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ২০১৭ সালে জেলা পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা পুনরায় জনগণের সেবাদানের সুযোগ লাভ করেন। মূলত, প্রকৃত বিবেচনায় ক্ষমতাসম্পন্ন স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি বিকেন্দ্রীকরণের ভিত্তি যা স্থানীয় দক্ষতা, সমতা এবং উন্নয়নের দিকে পরিচালিত করতে পারে। কার্যকর স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো নাগরিকদের আকাঙ্ক্ষার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নীতিসমূহের বিকাশ ও বাস্তবায়ন করতে পারে, এবং এর ফলে সরকারি পরিষেবার মান উন্নত হয় এবং স্থানীয় উন্নয়ন প্রচার পায়। 

জেলা পরিষদের রাজস্ব সংগ্রহের ইচ্ছাধীনতা সীমিত, এবং এখানে জাতীয় সরকার থেকে আর্থিক স্থানান্তর করা হয়। বর্তমান স্থানীয় সরকার কাঠামোর অধীনে জেলা পরিষদগুলোর সীমিত রাজস্ব ক্ষমতা রয়েছে। আইন অনুযায়ী স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান কেবল জাতীয় সরকার নির্ধারিত নির্দিষ্ট উৎস থেকে রাজস্ব সংগ্রহ করতে পারে। বিকল্প রাজস্ব আদায়ের সুযোগ লাভের ক্ষেত্রে এটা অনুমোদিত নয়। এমনকি রাজস্ব আদায়ের সীমিত পরিসরের মধ্যেও জেলা পরিষদ বর্তমানে তার নির্ধারিত উৎস থেকে কার্যকরভাবে রাজস্ব আদায় করতে পারে না। উপরন্তু, জেলা পরিষদ বর্তমান আন্তঃসরকার আর্থিক স্থানান্তর ব্যবস্থার অধীনে তার প্রকৃত চাহিদার তুলনায় সীমিত তহবিল পেয়ে থাকে। এই অপর্যাপ্ত তহবিল জেলা পরিষদকে তার বাধ্যতামূলক কাজকর্ম সম্পাদনের ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা হিসেবে কাজ করে। পরিষেবা বিতরণে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতাকে আরও নিরুৎসাহিত করে। বর্তমানে জেলা পরিষদ স্থানীয় সেবা প্রদানে কিছু ভূমিকা পালন করে এবং স্থানীয় প্রশাসনিক দপ্তরগুলোও এই পরিষেবা প্রদান করে।

জেলা পরিষদ এবং জেলা প্রশাসন অফিসের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব কার্যকর স্থানীয় সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত। কার্যকর সমন্বয়ের প্রধান অন্তরায় ফ্রন্টলাইন সার্ভিস ডেলিভারি ইউনিটের মধ্যেকার দূরত্ব যার মাধ্যমে নাগরিকদের কাছে পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হয় এবং যেসব কর্মকর্তা স্থানীয় পরিষেবা প্রদানে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা রাখেন তারা প্রায়ই জাতীয় সরকারে বসে থাকেন। অতএব, জেলা পরিষদ স্তরে পরিষেবা প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতাকে বিকেন্দ্রীকরণ করার প্রয়োজন রয়েছে এবং এর মাধ্যমে সমন্বয়ের ব্যর্থতা হ্রাস ও স্থানীয় পরিষেবার উন্নতি করা সম্ভব।


বর্তমান স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় একটি বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে স্থানীয় নাগরিকদের অর্থপূর্ণ অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে সীমিত সুযোগ এবং দুর্বল জবাবদিহিতা। উদাহরণস্বরূপ উল্লেখ করা যায়, জেলা পরিষদের স্থায়ী কমিটিগুলো সচল নয়। স্থায়ী কমিটিগুলো প্রায় অকার্যকর, কারণ নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং অন্যান্য সদস্যরা এগুলোর কার্যকারিতা ও এখতিয়ার সম্পর্কে সঠিকভাবে সচেতন ও আগ্রহী নন।


আমি এখানে জেলা পরিষদকে কার্যকর করার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ তুলে ধরার চেষ্টা করছি। সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজন চিহ্নিতকরণ এবং উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় তাদেরকে যুক্তকরণ; আলোচনা এবং সংলাপের মাধ্যমে স্থানীয়দের চাহিদা স্পষ্টকরণ এবং পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা তৈরির লক্ষে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ জেলা পরিষদের বার্ষিক পরিকল্পনা প্রস্তুত করা। জেলা পরিষদের বিশেষ সভা আয়োজন এবং জেলা পরিষদ আইন ২০০০ অনুসারে প্রকল্প তালিকা অনুমোদন করা; ডেডলাইন অনুযায়ী ডিডিএলজি এবং এলজিডি বরাবর বার্ষিক পরিকল্পনা জমা দেয়া বার্ষিক পরিকল্পনায় স্থায়ী কমিটির পরামর্শ অন্তর্ভুক্ত করা। 


জেলা পরিষদকে কার্যকর করার জন্য স্থায়ী কমিটিগুলোকে সক্রিয় করা কমিটিগুলো সদস্যদের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক আলোচনার সুযোগ তৈরি করা যা বিভিন্ন রাজনৈতিক মতামতের সদস্যদের মধ্যে সম্পর্ক সৃষ্টির পূর্বশর্ত নাগরিক পরিষেবায় সহযোগিতা ও সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে মীমাংসায় পৌঁছতে কমিটিগুলোর সভা ফোরামের মতো ভূমিকা রাখে। জেলা পরিষদকে কার্যকর করার জন্য প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা চিহ্নিত করে প্রাথমিক বেসলাইন মূল্যায়ন পরিচালনা করা জ্ঞান এবং দক্ষতার ইতিবাচক রুপান্তরের লক্ষে NILG এর মতো প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করা; নাগরিক সনদ প্রস্তুত ও উপস্থাপন; জেলা পরিষদের ওয়েবসাইট তৈরি করা এবং সমস্ত উন্নয়ন ও আর্থিক নথি প্রকাশ করা।  


জেলা পরিষদ স্তরে পরিষেবা বিতরণে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতাকে বিকেন্দ্রীকরণ করা ও এর মাধ্যমে সমন্বয়ের ব্যর্থতা হ্রাস এবং স্থানীয় পরিষেবাসমূহকে উন্নত করা প্রয়োজন। এই স্তরে স্থানীয় জবাবদিহিতা এবং উন্নত কর্মক্ষমতা উভয়ের অগ্রগতিকে উৎসাহ দেয়া দরকার। দারিদ্র্যমুক্ত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষে একটি শক্তিশালী স্থানীয় সরকার গড়ে তোলা আবশ্যক।  যেমন, স্থানীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়ে সংস্কার করা এখন সময়ের দাবি। 


স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে সংস্কার সাধনের লক্ষে মৌলিক নীতিমালার ক্ষেত্রে সম্মতিসুলভ বুঝাপড়া দরকার। এই নীতিমালা নাগরিকদের পছন্দসই পরিষেবা প্রদান করার মধ্য দিয়ে সরকারকে কর্তব্যপরায়ণ থাকতে উৎসাহিত করে। উপরন্তু, সরকারকে তার আর্থিক সংস্থান সাবধানতার সাথে পরিচালনা করা উচিত। কম অর্থ ব্যয়ে ভালো কর্মদক্ষতা এবং সেই সাথে স্থানীয় সম্প্রদায়ের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ঝুঁকিগুলোর সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নাগরিকদের আস্থা অর্জন করা উচিত। 


জনসেবার পরিমাণগত ও গুণগত উন্নতির পাশাপাশি সাধারণ মানুষ যাতে কোনও বিড়ম্বনা ছাড়াই সেসব সেবা-সুবিধা গ্রহণ করতে পারে সে ব্যাপারে গুরুত্ব দেয়া উচিত। এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো কর্মদক্ষতা দেখানো স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে মানদণ্ড হিসেবে চিহ্নিত করা যেতে পারে। স্থানীয় সরকার অবশ্যই তার নাগরিকের প্রতি দায়বদ্ধ। তাদেরকে সততার সাথে জনস্বার্থ সুরক্ষার নিশ্চয়তা দেওয়া উচিত। নির্বাচনী সংস্কারের মধ্যে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয় সরকারে সিটিজেন চার্টার/ নাগরিক সনদ ও সরকারি কর্মচারীদের প্রত্যাহারের ব্যবস্থার মতো আইনী ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের প্রয়োজন হতে পারে। 


উন্নয়ন কর্মসূচিকে আরও দরিদ্রবান্ধব করে তুলতে, সিদ্ধান্ত গ্রহণে জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ আরও প্রসারিত করতে এবং প্রয়োজন মাফিক সম্পদ কাজে লাগানোর লক্ষে আরও বিবর্তিত এবং কার্যকর স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যার ফলে বরাদ্দ সংক্রান্ত দক্ষতা বৃদ্ধি করা যায়। বাংলাদেশে একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে জনসাধারণের উন্নয়ন নিশ্চিত করার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে এবং এ সত্ত্বেও উন্নয়ন কর্মকান্ডে জনসাধারণের অংশগ্রহণ রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের কার্যকর হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারেনি। মানুষের মতামত শোনা এবং তাদের অংশগ্রহণের অধিকারকে সম্মান করার মাধ্যমে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা যায়। স্থানীয় সরকার সংস্থাগুলোকে শক্তিশালী না করলে এবং তাদেরকে সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে না দিলে তৃণমূল পর্যায়ে উন্নয়ন নিশ্চিত করা যাবে না। দারিদ্র্যমুক্ত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য একটি শক্তিশালী স্থানীয় সরকার গঠন অপরিহার্য। ফলস্বরূপ, স্থানীয় সরকারে সংস্কার আনা এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি। 


লেখক: সহযোগী অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভিজিটিং স্কলার (অক্সফোর্ড ও কেমব্রিজ)।

ই-মেইল: t.islam@juniv.edu 

হুথিদের হামলায় লোহিত সাগরে ডুবলো ইসরায়েলের মালবাহী সেই জাহাজ

ছবি: সংগৃহীত

ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথিদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত সেই ইসরায়েলের মালবাহী যুক্তরাজ্যের মালিকানাধীন জাহাজ রুবিমার দক্ষিণ লোহিত সাগরে ডুবে গেছে। গত মাসে হুথিদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত এই জাহাজের ডুবে যাওয়ার তথ্য শনিবার নিশ্চিত করেছে ইয়েমেনের সরকার।

গত নভেম্বরে হুথি বিদ্রোহীরা লোহিত ও কৃষ্ণ সাগরে ইসরায়েল এবং পশ্চিমাদের মালিকানাধীন জাহাজে হামলা শুরু করে। গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে পশ্চিমা জাহাজে হামলা চালিয়ে আসছে হুথিরা। বাণিজ্যিক জাহাজে হুথিদের হামলা শুরুর পর লোহিত সাগরে জাহাজডুবির প্রথম ঘটনা এটি।

ইয়েমেনের সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শুক্রবার রাতে জাহাজটি ডুবে গেছে। বিবৃতিতে জাহাজডুবির এই ঘটনায় পরিবেশগত বিপর্যয় সম্পর্কেও সতর্ক করা হয়েছে।

এর আগে, মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, হামলার সময় জাহাজটি ৪১ হাজার টনের বেশি সার পরিবহন করছিল।

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা গত নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে লোহিত সাগর অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়ে আসছে। গোষ্ঠীটি বলেছে, তারা গাজায় ইসরায়েলি হামলার প্রতিশোধে এবং ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানাতে এই হামলা করছে।

সোমবার ইয়েমেনের সরকারের একটি প্রতিনিধি দল বেলিজের পতাকাবাহী ও যুক্তরাজ্যের মালিকানাধীন মালবাহী জাহাজ রুবিমার পরিদর্শন করেছে। পরে তারা জানায়, জাহাজটির কিছু অংশ ডুবে গেছে। কয়েক দিনের মধ্যে সেটি পুরোপুরি ডুবে যেতে পারে।

মার্কিন সামরিক বাহিনী বলেছিল, হুথিদের হামলায় মালবাহী জাহাজটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় জাহাজটির অবস্থান থেকে আশপাশের ২৯ কিলোমিটার এলাকায় তেল ছড়িয়ে পড়েছে।

শনিবার জাহাজটির ডুবে যাওয়ার বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলেও যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহর কোনও সাড়া দেয়নি বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

বরিশালের জন্য নগদের ২০ লাখ টাকার পুরস্কার ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) তামিমের নেতৃত্বে প্রথমবারের মত শিরোপা জিতেছে ফরচুন বরিশাল। বরিশালের বিজয়ের এই উল্লাসের মুহূর্তে তামিমদের আহ্বানে যোগ দেন নগদ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর এ মিশুক। এ সময় ভিডিও কলে যুক্ত হয়ে ট্রফি জেতার জন্য দলের খেলোয়াড়দের জন্য ২০ লাখ টাকার অর্থ পুরস্কার ঘোষণা দেন তিনি। চ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিশাল অঙ্কের এই অর্থ পুরস্কারের ঘোষণা দেন নগদ সিইও।

বরিশাল বরাবরই বিপিএলের অভাগা দল। বেশ কয়েকবার ফাইনালে গিয়েও এতোদিন শিরোপা জিততে পারেনি তারা। এবারও তাদের নিয়ে কোনো হইচই ছিল না। বরং তাদের ‘বুড়োদের দল’ হিসেবেও বলেছে অনেকে। তবে টুর্নামেন্ট শুরু হতেই সব আলোচনা বদলে দিয়েছে তারা। প্রবল দাপট দেখিয়ে উঠে এসেছে তারা ফাইনালে। ফাইনালের হট ফেভারিট কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ট্রফি জিতে নেয় দক্ষিণের এই দলটি।

চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরেই আত্মহারা আনন্দে মেতে ওঠে বরিশাল। সেখান থেকে ভিডিও কলে তানভীর এ মিশুককে যুক্ত করেন দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। তানভীরও তামিম এবং তার দলকে শুভেচ্ছা জানান এবং অর্থ পুরস্কারের ঘোষণা দেন। ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে চ্যাম্পিয়ন দলের মধ্যে উচ্ছ্বাসের জোয়ার বয়ে যায়।

দল হিসেবে বরিশালের সঙ্গে সরাসরি কোনো সংশ্লিষ্টতা না থাকলেও এই দলেরই অধিনায়ক তামিম ইকবাল বেশ কয়েক বছর ধরে নগদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর। তাছাড়া মুশফিকুর রহিম যুক্ত আছেন নগদ ইসলামিকের সঙ্গে। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ এবং মেহেদী হাসান মিরাজও নানাভাবে নগদের প্রচারের জন্য কাজ করছেন। মূলত নগদের উদ্ভাবনী শক্তি এবং চমকপ্রদ সেবা দেশ সেরা তারকাদের নগদের ডেরায় ভিড়িয়েছে। তাছাড়া এবারের আসরের ‘পাওয়ার্ড বাই’ ক্যাটাগরিতে বিপিএল-এর সঙ্গে যুক্ত ছিল নগদ।

অর্থ পুরস্কার পাওয়ার পর তামিম ইকবাল বলেন, দেশের ক্রিকেটের জন্য নগদ এবং তানভীর ভাইয়ের সব সময়ই একটি বাড়তি মমত্ববোধ আছে। নানাভাবে নগদ ও তানভীর তাদের এই ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন। ২০ লাখ টাকার এই উপহারকে আমরা আমাদের দেওয়া অনন্য সম্মান হিসেবে গ্রহণ করছি এবং তানভীর ভাইয়ের প্রতি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে এও প্রত্যাশা করছি, নগদ এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রধান হিসেবে তানভীর ভাই সাফল্যের চূড়ায় আরোহণ করবেন।

একই সময় নগদ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর এ মিশুকও চ্যাম্পিয়ন বরিশাল দলকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, ক্রিকেট সব সময় বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে ধারণ করা অনন্য ভালোবাসার জায়গা। আর আমরাও যেহেতু বাংলাদেশকে হৃদয়ে ধারণ করি, ফলে ঘুরে ফিরে আমাদেরকেও ক্রিকেট আর ক্রিকেটারদের কাছেই আসতে হয়। আমি প্রত্যাশা করি – তামিম, মুশফিক, মাহমুদুল্লাহ বা মিরাজরা আমাদের দেশকে যেভাবে একের পর এক সাফল্য উপহার দিয়েছে, তারই ধারবাহিকতায় সামনের দিনেও ক্রিকেট বিশ্বে বাংলাদেশ অনন্য একটি অবস্থান পাবে। আর আর্থিক খাতে আমরাও নতুন নতুন সেবা উপহার দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।

বেইলি রোডে আগুন

কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজারসহ চারজন রিমান্ডে

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টের ম্যানেজারসহ চারজনকে রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। শনিবার (২ মার্চ) পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাদেরকে দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

জানা যায়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনছার মিলটন আসামিদের আদালতে হাজির করে সাতদিন রিমান্ডের আবেদন করেন। পরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নুরুল হুদা চৌধুরীর আদালত দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ডকৃতরা হলেন- কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার জিসান, চা চুমুকের মালিক আনোয়ারুল হক ও শাকিল আহমেদ রিমন এবং গ্রিন কোজি কটেজ ভবনের ম্যানেজার হামিমুল হক বিপুল।

এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ নামের বহুতল ভবনটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে নিহত হয়েছেন ৪৬ জন। এখনও আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন অন্তত পাঁচজন। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে রমনা থানায় মামলা দায়ের করেছে।

সর্বশেষ সংবাদ

হুথিদের হামলায় লোহিত সাগরে ডুবলো ইসরায়েলের মালবাহী সেই জাহাজ
বরিশালের জন্য নগদের ২০ লাখ টাকার পুরস্কার ঘোষণা
কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজারসহ চারজন রিমান্ডে
জায়েদ খানের সদস্যপদ বাতিল
এই প্রথম এক মঞ্চে বসলেন টাঙ্গাইলে আলোচিত সিদ্দিক ও খান পরিবার 
৫ বছরেও আলোর মুখ দেখেনি ‘সাপাহার অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রকল্প’
টাঙ্গাইলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাপসা’র নেতৃত্বে আবারও সোহরাব-খোরশেদ
সারাদেশে আরও ১২টি এক্সপ্রেসওয়ে যুক্ত করার মহাপরিকল্পনা
বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় মো‌দির শোক
তামিমের সঙ্গে দ্রুতই বসবেন পাপন
টাঙ্গাইলে পোস্ট মাস্টারের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
নেপালকে হারিয়ে সাফ শুরু করলো বাংলাদেশ
শুধু নেতার পেছনে ঘুরঘুর করলেই হবে না, নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী
জীবনে শুধু বঙ্গবন্ধুর সাথেই প্রেম করেছি : কাদের সিদ্দিকী
যেসব নারীর প্রতি পুরুষের আগ্রহ কখনোই কমেনা
পেঁয়াজ নিয়ে সুখবর দিলেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
সয়াবিন তেলের নতুন দাম নির্ধারণ
গাজীপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে ২ জনের মৃত্যু
বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমানবন্দর নির্মাণ করবে দুবাই, যা যা থাকবে?
বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের মামলা