সারাদেশ
প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক, যুবদল নেতা বহিষ্কার
চট্টগ্রামের পটিয়ায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় স্থানীয়দের হাতে আটক হওয়া যুবদল নেতা মিজানুর রহমান কফিলকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের দায় সংগঠন নেবে না এবং তার সঙ্গে সব ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক ছিন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার রাতে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহদপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার পটিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান কফিলকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে রবিবার (৩১ মে) দুপুরে পটিয়ার কোলাগাঁও ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে এক প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে গেলে স্থানীয়রা তাকে আটক করেন। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি তাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন এবং পরে সেখানে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একই ভিডিওতে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় এক নারীকে ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে দেখা যায়।
পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং লিখিত মুচলেকা নিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ওই প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে মিজানুর রহমান কফিলের অনৈতিক সম্পর্ক ছিল। ঘটনার দিন তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মিজানুর রহমান কফিল বলেন, তিনি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন। তার দাবি, তিনি এক আত্মীয়ের বাড়িতে লেনদেনের বিষয়ে কথা বলতে গিয়েছিলেন এবং তাকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে।