বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪ | ২ শ্রাবণ ১৪৩১
Dhaka Prokash

টাঙ্গাইলে সড়ক ভেঙে লাখো মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলে ব্রিজের সংযোগ সড়ক ভেঙে গেছে। বুধবার (১০ জুলাই) ভোরে সদর উপজেলার কাতুলী ইউনিয়নের ধলেশ্বরী নদীর ওপর নির্মিত (এসডিএস) ব্রিজের পশ্চিম পাশের সংযোগ সড়ক ভেঙে যায়। ফলে পাঁচটি ইউনিয়নের লাখো মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

জানা যায়, সদর উপজেলার চরাঞ্চলের কাতুলী, হুগড়া, কাকুয়া, মাহমুদনগর ও নাগরপুরের ভাড়রা ইউনিয়নে যাতায়াতের জন্য টাঙ্গাইল-তোরাপগঞ্জ সড়কে ধলেশ্বরী নদীর ওপর (এসডিএস) ব্রিজ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ২০০৬ সালে ১৭০ দশমিক ৬৪২ মিটার দৈর্ঘ্যের নির্মাণ করে। ব্রিজটি নির্মাণের পর থেকেই অবৈধ ড্রেজিং এর কারনে কয়েকবার বর্ষায় দফায় দফায় পূর্ব ও পশ্চিম তীরের অ্যাপ্রোচ ধ্বসে যায়। যদিও তাৎক্ষণিকভাবে এলজিইডি স্থানীয়দের সহায়তায় বালুর বস্তা ও লোহার পাত দিয়ে সাময়িক সংস্কার করে যোগাযোগ স্বাভাবিক করা হয়।

 

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী সিএনজি চালক জাকির হোসেন বলেন, ব্রিজের উভয়পার বারবার ধ্বসে যাচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

অটোরিকশাচালক মোতালেব মিয়া বলেন, গত কয়েক দিন ধরেই একটু একটু করে ভাঙন দেখা দেয়। আজ ভোরে যাত্রী নিয়ে এসে দেখলাম ভেঙে গেছে। পরে যাত্রী নামিয়ে দিয়ে ভাঙনের দৃশ্য দেখতেছি। দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা না নিলে আমরা যানবাহন চালাতে পারব না।

উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রকৌশলী ফজলুর রহমান বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যানের সঙ্গে পরিদর্শনে গিয়েছি। দ্রুতই সড়কটি সংস্কার করা হবে। বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবগত করা আছে।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা বলেন, সম্প্রতি বৃষ্টি ও প্রবল স্রোতের কারণে ব্রিজের পাড় ধ্বসে পড়ছে। যেহেতু এটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক তাই দ্রুত ধ্বস বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, এ ছাড়া ওখানে স্থায়ীভাবে একটা কিছু করার ভাবনা রয়েছে। আমি সবেমাত্র উপজেলা পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। পশ্চিম টাঙ্গাইলের পাঁচটি ইউনিয়নের মানুষের যোগাযোগের মাধ্যম এ সড়ক। আমি অবশ্যই গুরুত্বসহকারে বিষয়টি দেখছি।

টাঙ্গাইল জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ঘটনাস্থলে ইঞ্জিনিয়ার পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও সড়কটি যেহেতু এলজিইডির। তাই এলজিইডির প্রকৌশলীকে অবগত করা হয়েছে। দ্রুত সময়ে দুর্ভোগ লাঘবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Header Ad

সান্তাহারে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, ৩ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল শুরু

সান্তাহারে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

কোটা বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল সারাদেশ। চলছে হামলা, পাল্টা হামলা। সারাদেশের মতো এবার নওগাঁর পার্শ্ববর্তী বগুড়া জেলার সান্তাহারে শুরু হয়েছে কোটা সংস্কারের আন্দোলন। বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী রুপসা এক্সপ্রেস ট্রেন ২ ঘণ্টা আটকিয়ে দেয় সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

এর আগে, এদিন সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলার সান্তাহার বিপি স্কুল থেকে শুরু করে পৌর শহরের সরকারি কলেজ হয়ে শহরের প্রাণকেন্দ্র এসে ঘণ্টাব্যাপী বিভিন্ন দাবি তুলে স্লোগান দেয় তারা। এরপর সকাল ১১টায় তারা রেললাইনের উপর বসে পড়ে। এতে ট্রেনটি থেমে যায়।

সান্তাহারে রেললাইন অবরোধ করে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, আমরা সকলে মেধার মূল্যায়ন চাই। এই মেধার মূল্যায়ন চাইতে গিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আমাদের ভাইবোনদের উপর অন্যায়ভাবে হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগের ছেলেরা। তাদের হামলার কারণে আহত হয়ে অনেক ভাই মৃত্যু বরণ করেছে। আমরা আর কোনো ভাই-বোনদের হারাতে চাই না। সেই কারণে সারাদেশে চলমান ন্যায্য দাবি নিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মতো আমরাও রাস্তায় নেমেছি। প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমাদের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে যতোদিন মেধার মূল্যায়ন করা না হবে ততোদিন পর্যন্ত। সেই সাথে সরকারের কাছে অনুরোধ দ্রুত কোটা সংস্কার করা হোক।

শিক্ষার্থীরা সান্তাহার জাংশন স্টেশনের রেলগেট এলাকায় প্রায় আড়াই ঘণ্টা অবস্থান করছে। এমন সংবাদে আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার রোমানা আফরোজ ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান পিন্টু শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন। তাদেরকে বিভিন্নভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেন। এরপর শিক্ষার্থীরা সেখান থেকে চলে গেলে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। অপরদিকে এই প্রচণ্ড গরমের মধ্যে প্রায় ২০জন আন্দোলনরত শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

এ প্রসঙ্গে আদমদিঘী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাজেশ কুমার চক্রবর্ত্তী ঢাকাপ্রকাশকে বলেন, সারাদেশে যে আন্দোলন চলছিল তার ধারাবাহিকতায় সান্তাহারে শিক্ষার্থীরা আজ সকাল থেকে আন্দোলন শুরু করে। শিক্ষার্থীরা আমাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে না। কিন্তু হঠাৎ করে রেল লাইনের উপর শিক্ষার্থীরা বসে পড়ে। এরপরে কিছু সময়ের জন্য ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। আমরা সকলের প্রচেষ্টায় শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে সরিয়ে দিলে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

একইভাবে শিক্ষার্থীদের শান্ত করার চেষ্টা করছি দাবি করে রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোক্তার হোসেন ঢাকাপ্রকাশকে বলেন, আমরা যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে আছি। শিক্ষার্থীদের বুঝানোর চেষ্টা করছি। যেকোনো সময় ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হবে বলেও তিনি দাবি করেন।

ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামবে পুলিশ : ডিবিপ্রধান

ছবি: সংগৃহীত

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে একটি স্বার্থান্বেষী গ্রুপ ভিন্ন খাতে পরিচালিত করার চেষ্টা চালিয়েছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ষড়যন্ত্রকারী ওই গ্রুপটিতে শামিল সবার নামের তালিকা হাতে পেয়েছে ডিবি। শিগগিরই অভিযান পরিচালিত হবে তাদের বিরুদ্ধে।

বুধবার (১৭ জুলাই) সকালে গণমাধ্যমকে এসব কথা জানান ডিবিপ্রধান ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে গুজব ছড়িয়ে কোটাবিরোধী আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে একটি গ্রুপ। যারা গুজব ছড়াচ্ছে ও অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করছে, তারা অতীতেও ষড়যন্ত্র করেছে। আমরা তাদের ছাড় দেইনি।

হারুন অর রশীদ বলেন, যারা রাজনীতিকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য কোমলমতি ছাত্রদের ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, রেলের স্লিপার তুলে ফেলছে, মেট্রোরেল বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করছে তাদের সবার নাম পেয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে শিগগির ডিবি ও ডিএমপির একাধিক টিম অভিযান চালাবে।

ডিবিপ্রধান বলেন, কয়েকদিন ধরে সাধারণ ছাত্ররা কোটাবিরোধী আন্দোলন করছিল। সাধারণ ছাত্রদের ক্লাসে যাওয়ার জন্য আদালত নির্দেশনা দিয়েছিলেন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনাকে উপেক্ষা করে একটি গ্রুপ বিভিন্ন জায়াগায় বসে সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়া শুরু করে। এছাড়া গাড়িতে আগুন, রেল লাইনের স্লিপার তুলে ফেলা, মেট্রোরেল বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করে।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, সবগুলো বিষয় গোয়েন্দা পুলিশ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছে। কোটাবিরোধী আন্দোলনকে অন্যদিকে ধাবিত করার জন্য একটি গ্রুপ অর্থ, পানি, লাঠি ও অস্ত্র সরবরাহ করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে।

তিনি বলেন, এর ধারাবাহিকতায় গতকাল মঙ্গলবার প্রেসক্লাবে দুটি বাসে আগুন দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় ককটেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। এগুলো কোমলমতি সাধারণ ছাত্রদের কাজ না। এছাড়া স্বাধীনতাবিরোধী কয়েকটি ছাত্র সংগঠন কয়েকটি জায়গায় মিছিল-সমাবেশ করেছে। আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে কোটাবিরোধী আন্দোলনকে ভিন্ন দিকে চালানোর অপচেষ্টা চলছে।

জাফর ইকবালকে শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ ঘোষণা শিক্ষার্থীদের

ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল। ছবি: সংগৃহীত

ড. জাফর ইকবালসহ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থানকারীদের ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা ও আজীবন নিষিদ্ধ করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুর থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নামে একটি বিবৃতি আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ফেসবুক ওয়ালে ও শাবিপ্রবির বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে পোস্ট করা হয়। এ বিবৃতিতে 'ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ করা হলো' বলে উল্লেখ করা হয়।

জনপ্রিয় লেখক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল শাবিপ্রবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক। তার স্ত্রী ড. ইয়াসমিন হকও শাবিপ্রবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক। কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) একটি নিবন্ধ লেখেন মুহম্মদ জাফর ইকবাল। এ নিবন্ধনের একটি ছোট অংশ ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে পড়ে। এ নিয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দেয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত মোতাবেক শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় ইউজিসি থেকে সব বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার প্রেক্ষিতে জরুরি সিন্ডিকেট মিটিং করে অনির্দিষ্টকালের জন্য শাবিপ্রবির শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয় বলে জানান শাবিপ্রবির রেজিস্ট্রার মো. আবু হাসান। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকার পাশাপাশি হলও বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আজ বিকেল ৩টার মধ্যে সব হল থেকে শিক্ষার্থীদের চলে যেতে বলা হয়েছে।

'বিউটি অব সাস্ট ক্যাম্পাস' নামে শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের একটি ফেসবুক গ্রুপে পোস্ট করা বিবৃতিতে উল্লেখ রয়েছে- 'রেজি: ভবন, কন্ট্রোলার এবং ভিসি ভবন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দিল সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও আজ (বুধবার) বিকেল ৩ টার মধ্যে সকল শিক্ষক ও কর্মকর্তা/কর্মচারীকে তাদের কোয়ার্টার ত্যাগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এ আদেশ বহাল থাকবে।

পাশাপাশি ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল কে শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ করার কথাও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

এ ব্যাপারে শাবিপ্রবির আন্দোলনকারী এক শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হঠাৎ করেই আমাদের হল ছাড়ার নির্দেশনা দিয়েছে। এই নির্দেশনার প্রতিবাদেই আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস কক্ষগুলো বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, মুহম্মদ জাফর ইকবালকে আমরা খুব শ্রদ্ধা করতাম। কিন্তু তার গতকালকের লেখাটি আমাদের হতাশ ও ক্ষুব্ধ করেছে। তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। শিক্ষার্থীরা যখন খুন হচ্ছে, হামলার শিকার হচ্ছে তখন একজন শিক্ষক হয়ে তিনি এ ধরনের লেখা লিখতে পারেন না। তাই আমরা তাকে শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে আজীবনের জন্যে নিষিদ্ধ করেছি।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কাজ চলমান থাকায় অফিস খোলা থাকবে।

সর্বশেষ সংবাদ

সান্তাহারে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, ৩ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল শুরু
ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামবে পুলিশ : ডিবিপ্রধান
জাফর ইকবালকে শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ ঘোষণা শিক্ষার্থীদের
কোটা আন্দোলন প্রসঙ্গে বিবৃতি দিয়ে তোপের মুখে নিপুণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা, সন্ধ্যার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ
চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন কোটা আন্দোলনে নিহত শিক্ষার্থী আবু সাঈদ
এবার ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দামের কক্ষ ভাঙচুর
তিস্তায় ভেসে এলো ভারতের সাবেক শিক্ষামন্ত্রীর লাশ
ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদকের রুমে ভাঙচুর, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার
কোটা আন্দোলন: হামলা-সংঘর্ষ-হত্যা নিয়ে যা বলছে জাতিসংঘ
রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল শুরু
গভীর রাতে বোরখা পরে পালিয়েছেন ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক
ইউজিসি কি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করতে পারে, প্রশ্ন ঢাবি অধ্যাপকের
রক্তপাত বন্ধের আহ্বান হৃদয়-শরিফুলের
স্বেচ্ছাসেবক ও ছাত্রদলের ২ নেতাকে তুলে নেয়ার অভিযোগ
আজ গায়েবানা জানাজা ও কফিন মিছিল করবে আন্দোলনকারীরা
পবিত্র আশুরা আজ
দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ
ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শ্রাবণ গ্রেফতার
পদত্যাগ করলেন ইংল্যান্ডের কোচ সাউথগেট