সারাদেশ

বগুড়ায় পৃথক অভিযানে ১৬ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২


সারাদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৩ পিএম

বগুড়ায় পৃথক অভিযানে ১৬ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২
ছবি: সংগৃহীত

বগুড়ায় পৃথক দুটি অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার রাতে বগুড়া সদর উপজেলার মাটিডালি বিমানমোড় ও নওদাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে মোট ১৬ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার সোনাপুর গ্রামের হারেজ আলীর ছেলে মো. ফরহাদ হোসেন (২৯) এবং ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বেলসারা বানিয়াবস্তি এলাকার মৃত ইনতাজ আলীর ছেলে নুর হোসেন (২৫)।

এসআরবি-১২ সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে বগুড়া সদর উপজেলার মাটিডালি বিমানমোড় এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালানো হয়। এ সময় বাসে থাকা ফরহাদ হোসেনকে সন্দেহ হলে তল্লাশি করা হয়। পরে তাঁর কাছ থেকে ১৪ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এসআরবি-১২ বগুড়ার কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার ফিরোজ আহমেদ জানান, অভিযান শেষে গ্রেপ্তার ফরহাদ হোসেনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

অন্যদিকে, একই রাতে বগুড়া সদর উপজেলার নওদাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ২ হাজার ইয়াবাসহ নুর হোসেনকে গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

ডিএনসি সূত্র জানায়, ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁওগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে ইয়াবার চালান নেওয়া হচ্ছে-এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিএনসির একটি দল টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও রফাতুল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালের সামনে মহাসড়কে অবস্থান নেয়। পরে সন্দেহভাজন বাসটি থামিয়ে তল্লাশি শুরু করা হয়।

তল্লাশির সময় নুর হোসেনের আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে তাঁর দেহ ও সঙ্গে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করা হয়। এ সময় নীল রঙের ১০টি প্যাকেটের ভেতর থেকে মোট ২ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে তাঁর ব্যবহৃত একটি মুঠোফোনও জব্দ করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বগুড়া জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক জিললুর রহমান বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নুর হোসেনকে ইয়াবাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।

পৃথক দুটি অভিযানে উদ্ধার করা ইয়াবার চালান কোথা থেকে আনা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।