সারাদেশ

বাংলাদেশ রেলওয়ের উন্নয়নে বেনাপোলে গণশুনানি অনুষ্ঠিত


নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:৫৯ পিএম

বাংলাদেশ রেলওয়ের উন্নয়নে বেনাপোলে গণশুনানি অনুষ্ঠিত
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ রেলওয়ের যশোর অঞ্চলের সেবা কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মানোন্নয়ন নিশ্চিত করতে বেনাপোলে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশনের ইমিগ্রেশন ভবনে এই গণশুনানি আয়োজন করা হয়।

গণশুনানিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর অঞ্চলের বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক লিয়াকত শরীফ। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী (লোকো) ময়েন উদ্দীন সর্দার, ডিইএন-১ পাকশী হানিফ হোসেন, ডিটিও পাকশী হাসিনা আক্তার, ডিসিও পাকশী শ্রী গৌতম কুমার কুন্ডু, ডিইই পাকশী রিফাত শাকিল, বেনাপোল ইমিগ্রেশনের পরিদর্শক মোর্ত্তজা, বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শামসুর রহমান, সহ-সভাপতি খায়রুজ্জামান মধু, সাবেক সভাপতি মফিজুর রহমান সজন, হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সহিদ আলী এবং প্রেসক্লাব বেনাপোলের সাধারণ সম্পাদক বকুল মাহবুবসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সেবাগ্রহীতা ও সুধীজন।

গণশুনানিতে অংশগ্রহণকারী সেবাগ্রহীতা ও ভুক্তভোগী নাগরিকরা রেলওয়ের সেবা সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা ও দুর্ভোগ তুলে ধরেন। তারা ট্রেনের সময়সূচি ঠিক রাখা, স্টেশন ও প্ল্যাটফর্ম উন্নয়ন, যাত্রী নিরাপত্তা জোরদার এবং সার্বিক সেবার মান বৃদ্ধির বিষয়ে প্রস্তাব দেন।

বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক লিয়াকত শরীফ বলেন, “গণশুনানির মাধ্যমে জনগণের সমস্যা ও প্রত্যাশা সরাসরি জানা যায়, যা দ্রুত সমাধানের পথ তৈরি করে। নিয়মিত এ ধরনের উদ্যোগ নিলে বাংলাদেশ রেলওয়ে আরও জনবান্ধব, কার্যকর ও সেবামুখী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।”

অন্যান্য বক্তারা বেনাপোল থেকে চলাচলরত রূপসি বাংলা এক্সপ্রেস ট্রেনের আদলে আরও একটি ট্রেন চালুর দাবি জানান। তারা বলেন, সেবার মান বাড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। জনগণের অর্থে পরিচালিত রেলওয়ের প্রতিটি সেবা যেন প্রকৃত সেবাগ্রহীতার কাছে পৌঁছে—এটাই এখন প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।

গণশুনানি শেষে সাধারণ মানুষ এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, আগে রেলওয়ে সেবার নানা সমস্যা জানানোর সুযোগ সীমিত ছিল। এখন সরাসরি কর্মকর্তাদের সামনে নিজেদের অভিযোগ ও প্রস্তাব তুলে ধরতে পারায় সমস্যা সমাধান আরও সহজ ও দ্রুত হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।