সারাদেশ

ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচনে সব ভোটকেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ: পুলিশ


সারাদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৪ পিএম

ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচনে সব ভোটকেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ: পুলিশ
ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে আসনটির সব ভোটকেন্দ্রকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রভিত্তিক ঝুঁকি নিরূপণ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) পুলিশ এ-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করে। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৮৫টি। এসব কেন্দ্রের সবকটিকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১৫টি কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এবং বাকি ৭০টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

উপজেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১১৩টি। এর মধ্যে ৭০টি কেন্দ্র অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৪৩টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। অর্থাৎ, আসনটির মোট ভোটকেন্দ্রের সবচেয়ে বড় অংশ সদর উপজেলায় অবস্থিত।

অন্যদিকে, রুহিয়া উপজেলায় মোট ৩৩টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ২০টি কেন্দ্র অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এবং ১৩টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। এ উপজেলাতেও সব ভোটকেন্দ্রই ঝুঁকির তালিকায় রয়েছে।

এ ছাড়া ভুল্লী উপজেলায় মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৩৯টি। এর মধ্যে ২৫টি কেন্দ্র অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এবং ১৪টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ফলে সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী-এই তিন এলাকার সব ভোটকেন্দ্রই পুলিশের ঝুঁকি মূল্যায়নের আওতায় এসেছে।

নির্বাচনের আগে সব ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করার বিষয়টি ভোটগ্রহণের নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরছে। তবে কোন কোন কারণে কেন্দ্রগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ বা অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে এবং নিরাপত্তায় কী ধরনের বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে সরবরাহ করা তথ্যে বিস্তারিত উল্লেখ নেই।

উপনির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে কেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে জন্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।