অর্থনীতি

চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে জ্বালানিবাহী ৮টি জাহাজ


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৪ পিএম

চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে জ্বালানিবাহী ৮টি জাহাজ
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি আমদানি নিয়ে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তার মধ্যে স্বস্তির খবর এসেছে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে।

রোববার (৮ মার্চ) সকালে কুতুবদিয়া ও মহেশখালী উপকূলীয় জলসীমায় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বহনকারী মোট আটটি জাহাজ এসে পৌঁছেছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাহাজগুলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারির আগেই হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করায় চলমান অস্থিরতার প্রভাব পড়েনি। ফলে নির্ধারিত সময়েই এসব জ্বালানিবাহী জাহাজ দেশের জলসীমায় পৌঁছাতে পেরেছে।

বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার আগেই জাহাজগুলো ঝুঁকিপূর্ণ ওই নৌপথ পার হয়ে আসে। ফলে বর্তমানে সেগুলো বাংলাদেশের জলসীমায় অবস্থান করছে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে খালাস কার্যক্রম শুরু হবে।

আগত জাহাজগুলোর মধ্যে কাতার থেকে পাঁচটি বড় এলএনজি কার্গো এসেছে। এর মধ্যে ফ্রান্সের পতাকাবাহী ‘আল জুর’ ৬৩ হাজার ৩৮৩ ইউনিট, গ্রিসের ‘আল জাসাসিয়া’ ৬৩ হাজার ৭৫ ইউনিট এবং বাহামার পতাকাবাহী ‘লুসাইল’ ৬২ হাজার ৯৮৭ ইউনিট এলএনজি নিয়ে পৌঁছেছে। এছাড়া লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘আল গালায়েল’ ও ‘লেব্রেথাহ’ যথাক্রমে ৫৭ হাজার ৬৬৫ এবং ৬২ হাজার ইউনিট এলএনজি নিয়ে বাংলাদেশের জলসীমায় অবস্থান করছে। এসব জাহাজের স্থানীয় এজেন্সির দায়িত্বে রয়েছে ইউনিগ্লোবাল।

এদিকে এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রে ওমানের সোহার বন্দর থেকে পানামার পতাকাবাহী দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। ‘এলপিজি সেভান’ ২২ হাজার ১৭২ ইউনিট এবং ‘জি ওয়াইএমএম’ ১৯ হাজার ৩১৬ ইউনিট এলপিজি বহন করে এনেছে। জাহাজ দুটি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে ইউনিক মেরিটাইম।

অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে ৫ হাজার ১৯ ইউনিট এমইজি নিয়ে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘বে ইয়াসু’ নামের আরও একটি জাহাজ বন্দরে নোঙর করেছে।

বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারির আগে রওনা হওয়া জাহাজগুলো দেশে পৌঁছাতে পারলেও এরপর মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন বন্দরে বেশ কিছু জ্বালানিবাহী জাহাজ আটকা পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানির সরবরাহ ও মজুত স্থিতিশীল রাখতে প্যানিক বায়িং ঠেকাতে শুক্রবার থেকে পেট্রোল পাম্পগুলোতে নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে জ্বালানি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।