শিক্ষা

ঢাকা বোর্ডে পুনর্নিরীক্ষায় নতুন জিপিএ–৫ পেল ২০১ শিক্ষার্থী, পাস ৩০৮ জন


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ নভেম্বর ২০২৫, ১১:৫৯ এএম

ঢাকা বোর্ডে পুনর্নিরীক্ষায় নতুন জিপিএ–৫ পেল ২০১ শিক্ষার্থী, পাস ৩০৮ জন
ছবি: সংগৃহীত

২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২০১ জন নতুনভাবে জিপিএ–৫ অর্জন করেছেন।

এছাড়া ৩০৮ জন শিক্ষার্থী মূল পরীক্ষায় ফেল হলেও পুনর্নিরীক্ষণের মাধ্যমে পাসে উত্তীর্ণ হয়েছেন। রবিবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ড এ ফলাফল ঘোষণা করেছে।

বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ বছর মোট ৭৯,৬৭১ জন শিক্ষার্থী পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছিলেন। এর মধ্যে ২,৩৩১ জনের ফলাফলে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। মূল এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল ১৬ অক্টোবর প্রকাশিত হয়েছিল, এবং ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন নেওয়া হয়েছিল।

ঢাকা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ২,২৬,০০০ শিক্ষার্থী ৪,২৮,০০০ খাতা পুনর্নিরীক্ষার জন্য চ্যালেঞ্জ করেছেন। এর মধ্যে সর্বাধিক আবেদন এসেছে ঢাকা বোর্ড থেকে, যেখানে ২,৯২,০৫৬ জন পরীক্ষার্থী ১,৩৬,৫০৬টি খাতা পুনর্নিরীক্ষার জন্য জমা দিয়েছেন। সবচেয়ে কম আবেদন এসেছে বরিশাল বোর্ড থেকে, যেখানে ৮,০১১ জন শিক্ষার্থী ১৭,৪৮৯টি খাতা পুনর্নিরীক্ষার আবেদন করেছেন।

বিষয়ভিত্তিকভাবে ইংরেজি ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) বিষয়ে সর্বাধিক পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন জমা পড়েছে। অন্যান্য বোর্ডে আবেদন ও খাতার সংখ্যা নিম্নরূপ: কুমিল্লা বোর্ডে ২২,৫০৩ জনের ৪২,০৪৪ খাতা, রাজশাহী বোর্ডে ২০,৯২৪ জনের ৩৬,১০২ খাতা, চট্টগ্রাম বোর্ডে ২২,৫৯৫ জনের ৪৬,১৪৮ খাতা, যশোর বোর্ডে ২০,৩৯৫ জনের ৩৬,২০৫ খাতা, দিনাজপুরে ১৭,৩১৮ জনের ২৯,২৯৭ খাতা, ময়মনসিংহ বোর্ডে ১৫,৫৯৮ জনের ৩০,৭৩৬ খাতা এবং সিলেট বোর্ডে ১৩,০৪৪ জনের ২৩,০৮২ খাতা। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১২,০৭ জন শিক্ষার্থী ১৫,৩৭৮ খাতা, আর মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৭,৯১৬ জন শিক্ষার্থী ১৪,৭৩৩ খাতা পুনর্নিরীক্ষার জন্য আবেদন করেছেন।

২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ৯,১৯৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১২,৫১,১১১ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিলেন। এর মধ্যে ছাত্রী ৬,২৪,২১৫ জন এবং ছাত্র ৬,১১,৪৪৭ জন। আগের ফলাফলের ভিত্তিতে মোট পাসের হার ছিল ৫৮.৮৩ শতাংশ। এবার পুনর্নিরীক্ষার মাধ্যমে অনেক শিক্ষার্থী আরও ভালো ফল পেয়েছেন, যা শিক্ষার্থীদের জন্য উজ্জীবন এবং স্বপ্নপূরণের সুযোগ নিয়ে এসেছে।