সারাবিশ্ব
দার্জিলিংয়ে হানিমুনে গিয়ে বার্বিকিউয়ের আগুনে দগ্ধ হলেন নববধূ
দার্জিলিংয়ে হানিমুনে গিয়ে বার্বিকিউয়ের আগুনে গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন এক নববধূ। তার শরীরের প্রায় ৫০ শতাংশ পুড়ে গেছে। বর্তমানে শিলিগুড়ির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। তার শারীরিক অবস্থা সংকটজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া এলাকার বাসিন্দা সমীর দাস কিছুদিন আগে নিকিতাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর নবদম্পতি হানিমুনে সিটংয়ে যান। সেখানে একটি আবাসিক পর্যটনকেন্দ্রে বার্বিকিউয়ের আয়োজন করা হয়েছিল।
ঘটনার একটি সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, আবাসিক পর্যটনকেন্দ্রটির বারান্দায় পাশাপাশি বসে ছিলেন নবদম্পতি। তাদের সামনে বার্বিকিউ চলছিল। বিপরীত দিকে বসে থাকা এক ব্যক্তিকে বার্বিকিউয়ের আগুনে কিছু ঢালতে দেখা যায়। এরপরই হঠাৎ আগুন দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে এবং মুহূর্তের মধ্যে আগুন ধরে যায় নববধূর শরীরে।
ঘটনার পর তরুণীকে প্রথমে স্থানীয় একটি প্রাথমিক চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে শিলিগুড়ির একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
দার্জিলিং পুলিশ ইতোমধ্যে এ ঘটনায় মামলা করে তদন্ত শুরু করেছে। আগুনে দগ্ধ হওয়ার ঘটনায় বার্বিকিউতে কী ব্যবহার করা হয়েছিল এবং কীভাবে আগুন ছড়িয়ে পড়ল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, তরুণীর শরীরের ওপরের অংশে বেশিরভাগ পোড়া ক্ষত হয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার পরিস্থিতি এখনও সংকটজনক এবং শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে।
হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক তন্ময় গোস্বামী জানান, বার্বিকিউতে মাখন ঢালতে গিয়ে এই ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। পাহাড়ি এলাকায় ভ্রমণের সময় পর্যটকদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।