আইন আদালত

পি কে হালদার ও এস আলমসহ ১৩ জনের বিচার শুরু


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:২৩ পিএম

পি কে হালদার ও এস আলমসহ ১৩ জনের বিচার শুরু
ছবি: সংগৃহীত

জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ৩৪ কোটি টাকা ঋণ আত্মসাতের অভিযোগে এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম এবং রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের (বর্তমানে আভিভা ফাইন্যান্স লিমিটেড) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে বিচার শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত–৫–এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন বিচার শুরুর আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়।

মামলায় অভিযুক্ত অন্য আসামিরা হলেন এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সামাদ, পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ হাসান ও শাহানা ফেরদৌস। পাশাপাশি রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ইভিপি রাশেদুল হক, সাবেক ম্যানেজার নাহিদা রুনাই, সাবেক এসভিপি কাজী আহমেদ জামাল এবং সাবেক ডেপুটি ম্যানেজার জুমারাতুল বান্নাও আসামির তালিকায় রয়েছেন। এছাড়া মাররিন ভেজিটেবল অয়েলসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহির আহমেদ, পরিচালক টিপু সুলতান, মো. ইসহাক ও মো. আবদুল্লাহ আল মামুনের নাম রয়েছে অভিযোগপত্রে। তাঁদের মধ্যে নাহিদা রুনাই ও রাশেদুল হক কারাগারে থাকলেও অন্যরা পলাতক রয়েছেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, শুনানির দিন কারাগারে থাকা দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। তাঁদের পক্ষে আইনজীবীরা অব্যাহতির আবেদন জানালেও আদালত তা নামঞ্জুর করেন। পলাতক আসামিরা চার্জ গঠনের শুনানিতে উপস্থিত থাকতে পারেননি।

চার্জ গঠনের সময় আদালতে উপস্থিত আসামি নাহিদা রুনাই ও রাশেদুল হক নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন।

এর আগে গত ১১ জানুয়ারি মামলাটির চার্জশিট গ্রহণ করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত। পরে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকার বিশেষ জজ আদালত–৫–এ স্থানান্তর করা হয়।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০১৩ সালের ৮ আগস্ট আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে নামসর্বস্ব এ এম ট্রেডিং প্রতিষ্ঠানের নামে ৩৪ কোটি টাকার একটি মেয়াদি ঋণ অনুমোদন করেন। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ঋণ বিতরণের নামে ওই অর্থ এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেডে স্থানান্তর করা হয়। এ ঘটনায় গত বছরের ২ জুলাই দুদকের উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক মামলাটি দায়ের করেন।