রাজনীতি
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী
জিয়া পরিবারের ১৭ বছরের আন্দোলনেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ১৭ বছরের ধারাবাহিক আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়েই ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি তৈরি হয়েছিল।
আজ বুধবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রিজভী বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের রক্তঝরানো আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার বিস্ফোরণ ঘটে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে যে অভিনব প্রতিরোধ ও প্রতিবাদের ইতিহাস সৃষ্টি করেছে, তা জাতির স্মৃতিতে চিরকাল অম্লান থাকবে। অসংখ্য শিক্ষার্থী ও তরুণের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে একটি ‘ফ্যাসিবাদী শাসনের’ পতন ঘটেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, সরকার পতনের পর মানুষের প্রত্যাশা ছিল বাকস্বাধীনতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা। এসব অধিকারের দাবিতে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ১৭ বছর আন্দোলন করেছে। সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতাতেই ছাত্র-জনতা, শ্রমিকসহ সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে গণঅভ্যুত্থানের পরিবেশ তৈরি হয় বলে দাবি করেন তিনি।
রিজভীর ভাষ্য, জুলাই আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি ঘটে ৫ আগস্ট। ওই দিন ‘স্বৈরতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদের অবসান’ ঘটে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়কে একটি ঐতিহাসিক সংগ্রাম ও রক্তঝরা গণঅভ্যুত্থানের অধ্যায় হিসেবে দেখা উচিত।
তিনি জানান, গত বছরের মতো এবারও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। এসব কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ৪ আগস্ট রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে (কেআইবি) একটি বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
রিজভী বলেন, ওই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন এবং সভাপতিত্ব করবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।