সারাদেশ
বেনাপোল বন্দরকে আধুনিকায়ন করে গড়ে তুলব: মফিকুল হাসান তৃপ্তি
বেনাপোল স্থলবন্দর থেকে প্রতিবছর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আসে-তবুও এখানকার মানুষের উন্নয়ন হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা মফিকুল হাসান তৃপ্তি।
তিনি বলেন, “হাজার হাজার শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণী এই অঞ্চলে রয়েছে। তারা উপযুক্ত কাজ না পাওয়ায় পরিবারগুলো অভাব-অনটনে দিন কাটাচ্ছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বেনাপোল উপজেলার ছেলে-মেয়েদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চাকরির সুযোগ দেওয়া হবে এবং বেনাপোল বন্দরের আধুনিকায়ন করা হবে।”
সোমবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় বেনাপোল পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের (নামাজগ্রাম দুর্গাপুর) আয়োজিত উঠান বৈঠকে প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন ওই ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুল মজিদ।
তৃপ্তি আরও বলেন, “বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে বেনাপোলে একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। সেই সঙ্গে স্থলবন্দরকে আন্তর্জাতিকমানের আধুনিক বন্দর হিসেবে গড়ে তোলা হবে। আমি এমপি হলে এই জনপদকে মাদকমুক্ত করা হবে—এ ব্যাপারে আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই।”
উঠান বৈঠকের আগে তিনি বেনাপোল ২ নম্বর ওয়ার্ড ও বেনাপোল বাজার এলাকায় লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বেনাপোল পৌর বিএনপির সভাপতি মো. নাজিম উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের ভারত।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন— শার্শা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক তাজ উদ্দিন, তথ্য ও গবেষণা-বিষয়ক আতাউর রহমান আতা, বিএনপি নেতা মফিজর রহমান সজন, পৌর বিএনপির সহসভাপতি সাহাবুদ্দিন, সহসভাপতি সাহাদুর রহমান খোকন, নাসিমুল গণি বল্টু, আব্দার রহমান, ইদ্রিস মালেক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল করিম, সংগঠন সম্পাদক আব্দুল আহাদ, পৌর বিএনপির অর্থ সম্পাদক সামাদ আলী, শার্শা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রাকিবুল হাসান রিপন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. শহিদুল ইসলাম শহীদ, পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব ইসতিয়াক আহমেদ শাওন। এ ছাড়াও বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।