সারাদেশ

চুয়াডাঙ্গায় আইসক্রিম ফ্যাক্টরিতে অভিযান, জরিমানা ৫০ হাজার টাকা 


প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা
প্রকাশ: ০৩ মে ২০২৬, ০৮:০০ পিএম

চুয়াডাঙ্গায় আইসক্রিম ফ্যাক্টরিতে অভিযান, জরিমানা ৫০ হাজার টাকা 
ছবিঃ ঢাকাপ্রকাশ

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার ডাউকি ইউনিয়নের হাউসপুর এলাকার লোটাস আইসক্রিম ফ্যাক্টরিতে অভিযান চালিয়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। একই সঙ্গে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ আইসক্রিম ধ্বংস করা হয়েছে।

আজ রবিবার (০৩ মে) সকাল ১১টা থেকে দুপুর পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মামুনুল হাসান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা সজীব পাল। প্রশাসনিক সহযোগিতায় ছিল চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের একটি বিশেষ টিম।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে লোটাস আইসক্রিম ফ্যাক্টরিতে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদন করা হচ্ছিল। এছাড়া আইসক্রিম তৈরিতে কাপড়ের রং ব্যবহারের অভিযোগও পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানটির কোনো বৈধ সরকারি লাইসেন্স ছিল না বলেও জানা গেছে।

ভোক্তা অধিকার কর্মকর্তারা জানান, এর আগেও একবার ওই ফ্যাক্টরিতে অভিযান পরিচালনার চেষ্টা করা হলে কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে পালিয়ে যায়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার পুনরায় অভিযান চালানো হয়। 

অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের সত্যতা পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদিত আইসক্রিম ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি আগামী তিন দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও সরকারি অনুমোদন সম্পন্ন করে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে কারখানা পরিচালনার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মামুনুল হাসান বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদন ও লাইসেন্স ছাড়া কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ পাচ্ছিলাম। অভিযান চালিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং অস্বাস্থ্যকর আইসক্রিম ধ্বংস করা হয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুত বৈধ কাগজপত্র সম্পন্ন করে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সজীব পাল বলেন, জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কোনো খাদ্য উৎপাদন বা বাজারজাত করা হলে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে।