সারাদেশ
মীর শাহে আলমের উদ্যোগে হরিজন সম্প্রদায়ের ভিটামাটি উচ্ছেদ স্থগিত
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের ধানের শীষের এমপি প্রার্থী মীর শাহে আলমের উদ্যোগ ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় শতবর্ষ ধরে বসবাসরত বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা এলাকার হরিজন সম্প্রদায়ের বসতভিটা আপাতত তাদের দখলেই থাকছে। উক্ত সম্প্রদায়ের উচ্ছেদ সংক্রান্ত বগুড়া জজকোর্টের আদেশ ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, জমির মালিকানা ও খাস দখল পুনরুদ্ধারের দাবিতে দায়ের করা একটি দেওয়ানি মামলা ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল আদমদীঘি উপজেলার সহকারী জজ আদালত খারিজ করেন। পরবর্তীতে ওই রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল (নং-১২৬/২০২৪) বগুড়ার প্রথম অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত ২০২৫ সালের ৭ জুলাই মঞ্জুর করে আগের রায় বাতিল করেন। এর ফলে হরিজন সম্প্রদায়ের বসতভিটা দখল ও উচ্ছেদের জন্য আদালতের নির্দেশনা জারি হয়।
এই আদেশের পর উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ প্রশাসন এলাকায় উপস্থিত হলে হরিজন সম্প্রদায়ের হাজারো মানুষ চরম আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তায় পড়ে যান। তখন তারা বগুড়া-২ আসনের ধানের শীষের এমপি প্রার্থী মীর শাহে আলমের শরণাপন্ন হন। পরিস্থিতি বিবেচনায় তার অনুরোধে ম্যাজিস্ট্রেট সাত দিনের সময় দিয়ে সাময়িকভাবে উচ্ছেদ কার্যক্রম স্থগিত রেখে ফিরে যান।
পরবর্তীতে মীর শাহে আলম নিজ উদ্যোগ ও নিজ খরচে মামলাটি হাইকোর্টে দায়ের করতে সহায়তা করেন। বগুড়া জজকোর্টের উক্ত রায় ও ডিক্রির বিরুদ্ধে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের আওতায় হাইকোর্ট বিভাগে সিভিল রিভিশন আবেদন করা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একক বেঞ্চে (বিচারপতি মো. আলী রেজা) মামলাটি প্রাথমিকভাবে শুনানি গ্রহণ করা হয়। শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেন এবং মামলার বিষয়ে ছয় মাসের জন্য স্থিতাবস্থা (Status Quo) বজায় রাখার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র তলব করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সনদ প্রদান করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রশিদ টিপু।