সোশ্যাল মিডিয়া

মায়ের ভুলের জন্য ক্ষমা চাইলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর দিশা


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০২৫, ১১:০০ পিএম

মায়ের ভুলের জন্য ক্ষমা চাইলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর দিশা
দিশা। ছবি: সংগৃহীত

সম্প্রতি একটি শপিং মলে ঘটে যাওয়া চুরির ঘটনায় আলোচনায় আসেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর দিশা। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল, যেখানে বলা হয়েছিল দিশার মা ও খালা এই চুরির ঘটনায় জড়িত।

ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা চলছিল। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) দিশা তার ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে নিজে মন্তব্য প্রকাশ করেন এবং পরিবারের ভুলের জন্য ক্ষমা চান।

disha1_Dhakaprokash.jpg

নিচে পাঠকদের জন্য তার সম্পূর্ণ পোস্টটি তুলে ধরা হলো-

কয়েকদিন ধরে যা ঘটছে, সেই ঘটনাটি নিয়ে আমি কিছু বলতে চাই। প্রথমত, আমার মা আর খালা যা করেছেন সেটা অন্যায়, এবং আমি সম্পূর্ণভাবে এর বিরোধী।এই ঘটনায় আমি ভীষণ লজ্জিত এবং আমার পরিবারের পক্ষ থেকে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। অন্যায় আমার চোখে অন্যায়ই,সেটা আমার পরিবার করুক বা অন্য কারো পরিবার, আমার বক্তব্য সবসময় একই থাকবে।আমি কখনোই শুধু তারা আমার মা ও খালা বলে এই কাজকে সমর্থন করি না।

যেদিন আমি এই ঘটনা জানতে পারি, ঠিক তার পরদিনই আমি স্বশরীরে তাদের দোকানে যাই এবং আমার পরিবারের সদস্যদের কাজের জন্য ক্ষমা চাই।তাছাড়া আমি এটাও বলি যে তারা যদি আইনি পদক্ষেপ নিতে চান, তারা নিতে পারেন।কারণ তারাই বলেছেন যে এখানে আমার কিছু করার নেই এবং তারা যে শাস্তি পাওয়ার তা পেয়েইছেন।

কিন্তু একটি কথা বলতে চাই “যখন কোনো বাবা-মায়ের সন্তান অন্যায় করে বা ভুল করে, তখন সেই সন্তানের দোষ বাবা-মায়ের ওপরও আসে।ঠিক তেমনই বাবা-মায়ের অন্যায়ের দায়ভারও সন্তানের ওপর পড়ে।তাই আজ আমি সবার চোখে অপরাধী।”

disha2_Dhakaprokash.jpg

ঠিক আছে, আমি সেটা মেনে নিলাম। কিন্তু সন্তানের অন্যায়ের জন্য কখনো বাবা-মা তাকে ছেড়ে দেয় না।সে সন্তানকে বোঝায়, এবং তাকে ভালো হওয়ার চেষ্টা করে। আমি-ও এই মুহূর্তে আমার মাকে ফেলে দিতে পারব না।তিনি তার অন্যায়ের শাস্তি সবার কাছ থেকেই পাচ্ছেন।তিনি ভীষণ লজ্জিত, এবং আমি আশা করি তার দ্বারা আর কোনোদিন এই ভুল হবে না।

এই ঘটনা আমার জন্য খুবই শকিং ছিল এবং আমি তখন থেকেই মানসিক আঘাতের (ট্রমা) মধ্যে আছি।সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার নাম নিয়ে এবং আমার পরিবারকে নিয়ে যেভাবে পোস্ট করা হচ্ছে, তা আমার জন্য দেখে এগিয়ে যাওয়া খুব কঠিন। হয়তো অনেকেই চাইছেন আমি কাজ ছেড়ে দেই বা হাল ছেড়ে দিই।কিন্তু আমি এখনো এখানে আছি।আমি সত্যি থেকে পালাচ্ছি না, আমি কোনো অন্যায় করিনি।আমাকে লড়তে হবে এবং আমার জীবনে এগিয়ে যেতে হবে। আমি ইতিমধ্যেই মানসিক চাপে আছি, আমি চাই আপনারা সবাই এই সময়ে আমাকে একটু সহযোগিতা করবেন।