খেলা
দুর্দান্ত খেলেও মেক্সিকোর পরাজয়, কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে দারুণ লড়াই করেও স্বাগতিক মেক্সিকোকে হারতে হয়েছে ইংল্যান্ডের কাছে। রোমাঞ্চ আর নাটকীয়তায় ভরা ম্যাচে ৩-২ গোলের জয় নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ইংল্যান্ড।
সোমবার (৬ জুলাই) মেক্সিকো সিটির এস্তাদিও আজতেকা স্টেডিয়ামে বজ্রপাতের কারণে নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা পর বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় শুরু হয় ম্যাচটি।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে স্বাগতিক মেক্সিকো। তবে তাদের চাপে দমে না গিয়ে পাল্টা আক্রমণে যায় ইংল্যান্ডও।
ম্যাচের শুরুতেই মাত্র ৯০ সেকেন্ডের ব্যবধানে জোড়া গোল করে ইংল্যান্ডকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন জুড বেলিংহ্যাম। তবে হাল ছাড়েনি মেক্সিকো। প্রথমার্ধের শেষ দিকে হুলিয়ান কিনিওনেস গোল করে ব্যবধান কমিয়ে ২-১ করেন।
দ্বিতীয়ার্ধে বড় ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। ডিফেন্ডার এজরি কনসা লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। তবে ১০ জন নিয়েও দারুণ লড়াই চালিয়ে যায় দলটি। এক পর্যায়ে পেনাল্টি আদায় করেন অ্যান্থনি গর্ডন, সেখান থেকে গোল করে ব্যবধান ৩-১ করেন হ্যারি কেইন।
এরপর ইংল্যান্ডের বক্সে ফাউল করে বসেন কেইন নিজেই। সেই পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান ৩-২ করেন রাউল হিমেনেজ, ফলে ম্যাচে উত্তেজনা চরমে পৌঁছে যায়।
শেষ দিকে একের পর এক আক্রমণে ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করে মেক্সিকো। তবে সেই চাপ সামলে জয় নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড।
এই জয়ের ফলে ১১তম বারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলো ইংল্যান্ড।
ম্যাচের পরিসংখ্যানেও আধিপত্য ছিল মেক্সিকোর। তারা ৬৭ শতাংশ বলের দখল রেখে ২০টি শট নেয় এবং ১২টি কর্নার আদায় করে। এছাড়া ৪৯টি ক্রস করে স্বাগতিকরা।
অন্যদিকে, মাত্র ৩৩ শতাংশ বল দখলে রেখেও কার্যকর ফুটবল খেলে ইংল্যান্ড। তাদের শট ছিল ৬টি, কর্নার ২টি এবং ক্রস ৪টি।
রোমাঞ্চকর এই ম্যাচটি ইতোমধ্যেই চলমান বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ম্যাচ হিসেবে আলোচনায় এসেছে।