খেলা
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে যে ৫ কারণে জয়ের মুখ দেখতে পারে স্কালোনির আর্জেন্টিনা
চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ম্যাচকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। নকআউট পর্বের কঠিন লড়াই পেরিয়ে লিওনেল স্কালোনির দল এবার আরও বড় পরীক্ষার সামনে। তবে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে ওঠার আত্মবিশ্বাসে ভরপুর আলবিসেলেস্তারা।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের পথে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে রাখছে পাঁচটি বড় কারণ-
প্রথমত, বড় ম্যাচে চাপ সামলানোর অভিজ্ঞতায় আর্জেন্টিনা অনেকটাই এগিয়ে। বিশ্বকাপ ইতিহাসে তারা ২২টি নকআউট ম্যাচ জিতেছে। বিপরীতে ১৯৬৬ সালের পর আর ফাইনালে না ওঠা ইংল্যান্ডের নকআউট জয়ের সংখ্যা মাত্র ১৪। এছাড়া বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে পাঁচবার উঠে পাঁচবারই জয়ের শতভাগ রেকর্ড ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা, যা মানসিকভাবে তাদের আরও শক্তিশালী করে।
দ্বিতীয়ত, ৩৯ বছর বয়সেও দলের সবচেয়ে বড় ভরসা লিওনেল মেসি। টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত ৮ গোল করে তিনি গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন। ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টুখেলও স্বীকার করেছেন, মেসিকে থামানো অত্যন্ত কঠিন—কারণ তিনি যেকোনো পরিস্থিতিতে নতুন পথ খুঁজে নিতে পারেন।
তৃতীয়ত, আর্জেন্টিনার ধারাবাহিক গোল করার ক্ষমতা। চলতি আসরে তারা সর্বোচ্চ ১৭টি গোল করেছে। শুধু তাই নয়, ২০২২ বিশ্বকাপ থেকে টানা ১২ ম্যাচে অন্তত দুই বা তার বেশি গোল করার নজির গড়েছে স্কালোনির দল।
চতুর্থত, সীমিত সুযোগ কাজে লাগানোর অসাধারণ দক্ষতা। আক্রমণে লিওনেল মেসি ও হুলিয়ান আলভারেজরা অল্প সুযোগ থেকেই গোল আদায় করতে পারেন। কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ে আলভারেজের জয়সূচক গোলই তার প্রমাণ।
পঞ্চমত, পেনাল্টি টাইব্রেকারে আর্জেন্টিনার মনস্তাত্ত্বিক শক্তি এবং গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজের অসাধারণ দক্ষতা। টাইব্রেকারে গেলে আর্জেন্টিনা সবসময়ই বাড়তি আত্মবিশ্বাসে থাকে। মার্তিনেজের উপস্থিতি প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে, যা অতীতে বহুবার দেখা গেছে।
সবমিলিয়ে অভিজ্ঞতা, ফর্ম, মানসিক দৃঢ়তা এবং তারকাখচিত পারফরম্যান্স—সব দিক থেকেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে রয়েছে আর্জেন্টিনা।