খেলা
এমবাপের গোলের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মরক্কো কোচ
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে ২-০ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছে মরক্কো। তবে ম্যাচ শেষে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে কিলিয়ান এমবাপের করা প্রথম গোল। গোলের আগে ফ্রান্সের এক খেলোয়াড়ের হাতে বল লেগেছিল বলে দাবি করেছেন মরক্কোর প্রধান কোচ মোহামেদ ওয়াহবি।
ওয়াহবির অভিযোগ, এমবাপের গোলের আক্রমণ শুরুর আগে স্পষ্ট হ্যান্ডবল হয়েছিল। কিন্তু ঘটনাটি ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) পর্যালোচনা করেননি। তার দাবি, ওই মুহূর্তে মরক্কোর কয়েকজন খেলোয়াড় হ্যান্ডবলের আশায় খেলা থামিয়েও দিয়েছিলেন।
ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ওয়াহবি বলেন, “কয়েকজন খেলোয়াড় থেমে গিয়েছিল, কারণ সেখানে হ্যান্ডবল হয়েছিল। নিশ্চিতভাবেই হ্যান্ডবল ছিল।”
তবে ঘটনাটি ফাউল হিসেবে গণ্য হওয়ার মতো ছিল কি না, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন। এ প্রসঙ্গে মরক্কো কোচ বলেন, “আমি জানি না এটি বাঁশি বাজানোর মতো পরিস্থিতি ছিল কি না। সে বিষয়ে আমার নিশ্চিত ধারণা নেই। তবে শেষ পর্যন্ত এমবাপের ব্যক্তিগত নৈপুণ্যেই গোলটি এসেছে।”
কেন ভিএআর হস্তক্ষেপ করেনি?
মরক্কোর আপত্তি থাকলেও রেফারিং বিশ্লেষকদের মতে, গোলটি বহাল রাখার সিদ্ধান্তই ছিল নিয়মসম্মত। রেফারি বিশ্লেষক হুয়ান গুজমানের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ঘটনাটি ছিল অনিচ্ছাকৃত হ্যান্ডবল এবং এর পরপরই সরাসরি গোলের সুযোগ সৃষ্টি হয়নি।
এ ছাড়া ওই ঘটনার পর বলের দখলও পরিবর্তিত হয়েছিল। ফলে এমবাপের গোলের আক্রমণকে আগের হ্যান্ডবলের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত হিসেবে ধরা হয়নি।
ফুটবলের বর্তমান আইন অনুযায়ী, কোনো অনিচ্ছাকৃত হ্যান্ডবল সরাসরি গোল বা তাৎক্ষণিক গোলের সুযোগ তৈরি করলে তবেই ভিএআর হস্তক্ষেপ করে। এ কারণে বিতর্ক থাকলেও রেফারি গোল বাতিল করেননি এবং ম্যাচের ফলেও কোনো পরিবর্তন আসেনি।
ম্যাচে ৬০তম মিনিটে এমবাপের গোলে এগিয়ে যায় ফ্রান্স। পরে উসমান দেম্বেলের আরেকটি গোলে ২-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয় দিদিয়ে দেশমের দল।