খেলা
আর্জেন্টিনা–ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল: কাকে এগিয়ে রাখছে সুপার কম্পিউটার
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর বহুল প্রতীক্ষিত দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। দুই দলের শক্তির পার্থক্য খুবই সামান্য হলেও পরিসংখ্যানভিত্তিক বিশ্লেষণে ইংল্যান্ডকে অল্প ব্যবধানে এগিয়ে রেখেছে অপ্টা সুপার কম্পিউটার।
অপ্টার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনায় ইংল্যান্ডের সম্ভাবনা ৫১.৯ শতাংশ, যেখানে আর্জেন্টিনার সম্ভাবনা ৪৮.১ শতাংশ। অর্থাৎ দুই দলের মধ্যে ব্যবধান মাত্র ৩.৮ শতাংশ।
নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ফল নির্ধারণের সম্ভাবনাতেও ইংল্যান্ড সামান্য এগিয়ে। সুপার কম্পিউটারের হিসাব বলছে, ইংল্যান্ডের জয়ের সম্ভাবনা ৩৮.২ শতাংশ, আর্জেন্টিনার ৩২.০ শতাংশ, আর ম্যাচ ড্র হওয়ার সম্ভাবনা ২৯.৭ শতাংশ। ড্র হলে ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়াবে, প্রয়োজন হলে টাইব্রেকারেও নিষ্পত্তি হতে পারে।
দুই দলের অতীত পরিসংখ্যানও বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। এখন পর্যন্ত ১৪ বার মুখোমুখি হয়েছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। এর মধ্যে ইংল্যান্ড জিতেছে ৬টি, আর্জেন্টিনা জিতেছে ২টি এবং ৬টি ম্যাচ ড্র হয়েছে। যদিও ১৯৯৮ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে নির্ধারিত সময় ড্র থাকার পর টাইব্রেকারে জিতে পরের রাউন্ডে উঠেছিল আর্জেন্টিনা।
পরিসংখ্যান বলছে, নির্ধারিত সময়ে আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ডের সর্বশেষ হার ১৯৮৬ বিশ্বকাপের ঐতিহাসিক কোয়ার্টার ফাইনালে, যেখানে দিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ ও ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ ফুটবল ইতিহাসে জায়গা করে নেয়। এরপর দুই দলের শেষ পাঁচটি মুখোমুখি লড়াইয়ে নির্ধারিত সময়ে অপরাজিত রয়েছে ইংল্যান্ড।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি হবে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের ষষ্ঠ মুখোমুখি। বিশ্বকাপে এর চেয়ে বেশি বার আর্জেন্টিনা খেলেছে শুধু জার্মানি ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। তিন বা তার বেশি বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলা প্রতিপক্ষদের মধ্যে ইতালি, জার্মানি ও নেদারল্যান্ডসের পর ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই আর্জেন্টিনার জয়ের হার সবচেয়ে কম।
পরিসংখ্যানের বিচারে ইংল্যান্ড সামান্য এগিয়ে থাকলেও ব্যবধান এতটাই কম যে, ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে এই সেমিফাইনালের ভাগ্য নির্ধারণ হতে পারে একটি মুহূর্তের জাদু, কৌশল কিংবা টাইব্রেকারের নাটকীয়তায়।