শিল্প-সংস্কৃতি

রমনা পার্কে এক প্লেট পান্তা-ইলিশ ৬০০ টাকা


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৫ পিএম

রমনা পার্কে এক প্লেট পান্তা-ইলিশ ৬০০ টাকা
ছবি: সংগৃহীত

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে রাজধানীর রমনা পার্কে পান্তা-ইলিশের চিরচেনা উৎসব এবার অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। যেখানে একসময় অস্থায়ী দোকানে জমজমাট পসরা বসত, সেখানে এ বছর সেই দৃশ্য প্রায় অনুপস্থিত।

বর্ষবরণের দিনে ঢাকাবাসীর অন্যতম আকর্ষণ রমনা পার্কে কোনো অস্থায়ী পান্তা-ইলিশের দোকান দেখা যায়নি। কেবল একটি স্থায়ী রেস্টুরেন্ট—মি. কুক রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড ক্যাটারিং—পান্তা-ইলিশ বিক্রি করছে। তবে সেখানে এক প্লেট পান্তা-ইলিশের দাম রাখা হয়েছে ৬০০ টাকা, যা নিয়ে দর্শনার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা গেছে।

এই প্যাকেজে থাকছে এক বাটি পান্তা ভাত, ছোট একটি ইলিশের টুকরো এবং বেগুন ভাজি। খাবারটি ওয়ান টাইম প্লেটে পরিবেশন করা হলেও পরিমাণ ও দামের তুলনায় তা অনেকের কাছেই অস্বাভাবিক মনে হয়েছে।

শুধু রমনা নয়, রাজধানীর অন্যান্য স্থানেও এ বছর অস্থায়ীভাবে পান্তা-ইলিশ বিক্রির প্রবণতা দেখা যায়নি। সংশ্লিষ্টরা জানান, মার্চ-এপ্রিল মাসে ইলিশের অভয়ারণ্যকালীন নিষেধাজ্ঞা এবং বাজারে সরবরাহ সংকটের কারণে মাছের দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা অস্থায়ী দোকান বসাতে আগ্রহ দেখাননি।

দর্শনার্থীদের অনেকেই জানান, শিশুদের আবদার বা ঐতিহ্যের টানে তারা উচ্চমূল্য দিয়েও পান্তা-ইলিশ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে এমন মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জন্য উৎসবের আনন্দ কিছুটা ম্লান করে দিয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।

রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, ইলিশের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে প্যাকেজের মূল্য বেশি নির্ধারণ করেছেন।

সব মিলিয়ে, এবারের বৈশাখে পান্তা-ইলিশের ঐতিহ্য থাকলেও তার সাথে যুক্ত হয়েছে বাড়তি খরচের চাপ।