বিনোদন

অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি


বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ নভেম্বর ২০২৫, ০৩:২৫ পিএম

অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
মডেল ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

মডেল ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ ও হুমকি-ধামকির অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আসামিদের আদালতে হাজিরার নির্ধারিত তারিখে অনুপস্থিত থাকার কারণে এই পরোয়ানা জারি করা হয়।

রোববার (১৬ নভেম্বর) আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার ধার্য তারিখে আসামিরা আদালতে না যাওয়ায় গত ১০ নভেম্বর ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত–৩-এর বিচারক আফরোজা তানিয়া তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সঙ্গে গ্রেপ্তারের অগ্রগতি প্রতিবেদনের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বাদীর সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে মেহজাবীন চৌধুরী নতুন একটি পারিবারিক ব্যবসায় তাকে পার্টনার করার আশ্বাস দেন। এ প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে মোট ২৭ লাখ টাকা নেন মেহজাবীন ও তার ভাই আলিসান।

অভিযোগ অনুযায়ী, টাকা নেওয়ার পর তারা কোনো ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করেননি এবং সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে বাদী টাকা চাইলে ‘আজ-কাল’ করে ঘোরাতে থাকেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ১১ ফেব্রুয়ারি পাওনা টাকা চাইতে গেলে মেহজাবীন ও আলিসান বাদীকে ১৬ মার্চ হাতিরঝিলের একটি রেস্টুরেন্টে আসতে বলেন। সেদিন সেখানে উপস্থিত হলে মেহজাবীন, তার ভাই এবং আরও ৪–৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি বাদীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।

এ সময় বলা হয়, “এরপর আমাদের বাসায় টাকা চাইতে আসবি না। বাসার সামনে তোকে দেখলে মেরে ফেলব।” বাদীর অভিযোগ, সেদিন তাকে জীবননাশের হুমকি দেওয়া হয় এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়।

ঘটনার পর বাদী থানায় গেলে ভাটারা থানা পুলিশ বিষয়টি আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়।

 

mehazabien-1-Dhaka Prokah News-16-11-2025.jpg
মডেল ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী।  ছবি: সংগৃহীত

পরবর্তীতে বাদী আমিরুল ইসলাম ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭/১১৭(৩) ধারায় ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলার শুনানিতে আসামিরা হাজির না হওয়ায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে গ্রেপ্তার সংক্রান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে হবে। এর আগে আসামিদের গ্রেপ্তার বা আত্মসমর্পণের সুযোগ রয়েছে।