বিনোদন
‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ আরিফিন শুভ-কেয়ার বিয়ের গুঞ্জনের নেপথ্যে যা জানা গেল
চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ ও অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের একটি ফেসবুক পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। দুজনই নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একই ছবি প্রকাশ করেছেন। ছবিতে দেখা যায়, কেয়া পায়েলকে আলিঙ্গন করে আছেন শুভ। ক্যাপশনে লেখা—‘হ্যাপিলি ম্যারিড উইথ কেয়া পায়েল’।
পোস্টটি প্রকাশের পরপরই নেটিজেনদের একাংশের মনে প্রশ্ন জাগে—তবে কি সত্যিই বিয়ে করেছেন আরিফিন শুভ ও কেয়া পায়েল? অনেকে বিষয়টিকে সত্যি ভেবে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন। আবার কেউ ধারণা করেন, ব্যক্তিগত জীবনে বিচ্ছেদের পর শুভ হয়তো নতুন করে সংসার শুরু করেছেন।
তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিয়ের খবরটি সত্য নয়। এটি মূলত একটি নতুন ওয়েব ফিল্মের প্রচারণার অংশ। দর্শকদের কৌতূহল তৈরি করতেই এমন ব্যতিক্রমী প্রচারণার কৌশল নিয়েছেন নির্মাতারা।
জানা গেছে, ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ শিরোনামের নতুন একটি ওয়েব ফিল্মে প্রথমবারের মতো জুটি বেঁধেছেন আরিফিন শুভ ও কেয়া পায়েল। এটি পরিচালনা করছেন জাহিদ প্রীতম। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে শুটিং। ছবিয়ালের প্রযোজনায় ও ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকির ব্যানারে নির্মিত হচ্ছে ওয়েব ফিল্মটি।
‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ নির্মিত হচ্ছে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রকল্পের আওতায়। নির্মাতাদের দাবি, অসম সম্পর্ক, ভালোবাসা, টানাপোড়েন ও বাস্তব জীবনের নানা দিক উঠে আসবে এই গল্পে।
তবে প্রচারণার এই কৌশল নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ এটিকে সৃজনশীল প্রচারণা হিসেবে প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ দর্শকদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগ তুলে একে ‘সস্তা প্রচারণা’ বলেও মন্তব্য করেছেন।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে চরকি ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রকল্পের ঘোষণা দেয়। ভালোবাসাকে কেন্দ্র করে ১২ জন নির্মাতার ১২টি মৌলিক গল্প নিয়ে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের আওতায় এরই মধ্যে মুক্তি পেয়েছে ‘লাস্ট ডিফেন্ডারস অব মনোগ্যামি’, ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’, ‘ফরগেট মি নট’, ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’ এবং ‘থার্টি সিক্স-টোয়েন্টি ফোর-থার্টি সিক্স’।
অন্যদিকে, আরিফিন শুভকে সর্বশেষ দেখা গেছে ওয়েব ফিল্ম ‘উনিশ২০’-এ। সেই কাজের পর এবার ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ দিয়েই আবারও আলোচনায় এসেছেন তিনি। তবে বাস্তবে নয়, আপাতত শুধুই পর্দার গল্পে জুটি হচ্ছেন শুভ ও কেয়া পায়েল।