লাইফস্টাইল
লিপবাম, লিপগ্লস নাকি লিপ অয়েল? শীতে ঠোঁটের যত্নে যেটি ব্যবহার করবেন
ঠান্ডা আবহাওয়া, বাতাসে কম আর্দ্রতা ও ধুলাবালির প্রভাবে শীতে ঠোঁট সহজেই তার মসৃণতা হারায়। অনেকের ঠোঁট ফেটে যায়,হয়ে যায় রুক্ষ ও শুষ্ক। তাই শীতের মৌসুমে ঠোঁটের যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
শীতকালে ঠোঁটের সঠিক যত্ন নেওয়া শুধু সৌন্দর্য বজায় রাখার জন্য নয়, বরং ঠোঁটের ত্বককে সুস্থ ও সুরক্ষিত রাখার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চলুন জেনে নেয়া যাক শীতে ঠোঁটের যত্নে কোনটি ব্যবহার করা ভালো:
*লিপবাম: প্রতিদিনের সুরক্ষা দেয় এটি। লিপবাম হলো ঠোঁটের প্রাথমিক যত্নের প্রধান হাতিয়ার। এতে মোম বা পেট্রোলিয়াম থাকে যা ঠোঁটের আর্দ্রতাকে আটকে রাখে। যখন ঠোঁট খুব বেশি ফাটে বা শুকিয়ে যায় তখন এটি ব্যবহার করা যায়। এটি ঠোঁটে একটি সুরক্ষামূলক স্তর তৈরি করে এবং দীর্ঘক্ষণ আর্দ্রতা ধরে রাখে। বাইরে বের হওয়ার আগে বা রাতে ঘুমানোর আগে এটি ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো।
*লিপ অয়েল: ঠোঁটে গভীর পুষ্টি জোগায় অয়েল। লিপ অয়েল বর্তমানে ঠোঁটের যত্নে বেশ জনপ্রিয়। এতে সাধারণত প্রাকৃতিক তেল (যেমন- জোজোবা, নারিকেল বা বাদাম তেল) থাকে। যখন ঠোঁট ভেতর থেকে শুষ্ক হয়ে যায় এবং দ্রুত পুষ্টির প্রয়োজন হয় তখন লিপ অয়েল ব্যবহার করা উচিৎ। এটি লিপবামের চেয়ে বেশি গভীরে প্রবেশ করে ঠোঁটকে নরম করে। এটি মোটেও চটচটে হয় না এবং ঠোঁটে একটি সুস্থ আভা দেয়।
*লিপগ্লস: ফ্যাশন ও সৌন্দর্য এর জন্য লিপগ্লস ব্যবহার করা যায়। লিপগ্লস মূলত সাজগোজের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি ঠোঁটকে চকচকে এবং আকর্ষণীয় করে তোলে। কোনো অনুষ্ঠান বা সাজের পূর্ণতা দিতে এটি ব্যবহার করতে পারেন।
উল্লেখ্য, শীতকালে শুধু লিপগ্লস ব্যবহার করলে ঠোঁট আরও বেশি শুকিয়ে যেতে পারে, কারণ এতে ময়েশ্চারাইজিং উপাদান কম থাকে।
তাই, ঠোঁট আর্দ্র রাখতে বিশেষ ধরনের তেলসমৃদ্ধ প্রসাধনী হলো লিপ অয়েল। এটি ঠোঁটকে গভীর আর্দ্রতা প্রদান করে, নরম ও মসৃণ রাখে এবং লিপগ্লসের মতো চকচকে ও আকর্ষণীয় দেখায়। লিপ অয়েল লিপবামের চেয়ে বেশি গভীরে পুষ্টি জোগায় এবং লিপগ্লসের তুলনায় হালকা ও কম আঠালো হওয়ায় ঠোঁটকে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ও স্বাভাবিকভাবে সুন্দর দেখাতে সাহায্য করে।