জাতীয়

চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে কয়েকটি তেলের জাহাজ, রেশনিং তুলে নেওয়ার ঘোষণা


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৯ পিএম

চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে কয়েকটি তেলের জাহাজ, রেশনিং তুলে নেওয়ার ঘোষণা
ছবি: সংগৃহীত

আমদানি করা কয়েকটি তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। একইসঙ্গে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করা এবং বোরো মৌসুমে কৃষকদের চাহিদা বিবেচনায় জ্বালানি তেল বিতরণে রেশনিংসহ সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

রোববার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে জ্বালানি তেলের রেশনিং ব্যবস্থা নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহ লাইনে কিছু সমস্যা সৃষ্টি হওয়ায় সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। ইতোমধ্যে আমদানি করা কয়েকটি তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।

তিনি বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করা এবং বোরো মৌসুমে কৃষকদের সেচ কার্যক্রম সচল রাখতে জ্বালানি তেল বিতরণে রেশনিংসহ সব বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ১৫ মার্চ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব বিতরণ কেন্দ্র থেকে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোথাও যদি সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে গাফিলতি বা দায়িত্বহীনতা দেখা যায়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, অতীতে বিতরণ ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু পক্ষ এবং ভোক্তা পর্যায়ের দায়িত্বহীনতার কারণে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান তিনি।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্ববাজারে অনেক দেশে জ্বালানির দাম বাড়লেও বাংলাদেশে এখনো তা বাড়ানো হয়নি। জনগণের কষ্টের কথা বিবেচনা করে সরকার এখন পর্যন্ত জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রেখেছে।

তিনি জানান, দেশের অর্থনীতি যতদিন এই চাপ বহন করতে পারবে, ততদিন পর্যন্ত জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। একই সঙ্গে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর এবং জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।