প্রবাস
জার্মানিতে রাজনৈতিক আশ্রয় আবেদন নেমে এসেছে অর্ধেকে
জার্মানিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য আবেদন নাটকীয়ভাবে কমেছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত দেশটিতে আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেছেন ৯৭ হাজার ২৭৭ জন, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল এক লাখ ৯৯ হাজার ৯৪৭ জন। অর্থাৎ আবেদনকারীর সংখ্যা অর্ধেকেরও বেশি কমেছে।
জার্মানির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত মাসিক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। মন্ত্রণালয় আশ্রয় আবেদন কমে যাওয়ার ঘটনাকে সরকারের কঠোর অভিবাসন নীতির সফলতা হিসেবে দেখছে।
জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডোব্রিন্ট জানিয়েছেন, "আমাদের অভিবাসন কৌশল সফলভাবে কাজ করছে। আমরা জার্মানিকে অবৈধ অভিবাসীদের জন্য স্বর্গে পরিণত হতে দিইনি। ফলে অবৈধ অভিবাসীদের প্রবেশ ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে।" তিনি আরও জানান, সীমান্তে কঠোর নজরদারি চালু হওয়ার কারণে অবৈধ অনুপ্রবেশ অনেকটাই ঠেকানো সম্ভব হয়েছে।
এ বছরের মে থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত প্রায় ১৮ হাজার ৬০০ জনকে জার্মানির সীমান্ত থেকেই ফেরত পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়ার পেছনে ইউরোপের প্রতিবেশী বলকান অঞ্চলে কড়া সীমান্ত নজরদারি এবং সিরিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ক্ষমতায় ফিরে আসার পর সেখানে কিছুটা স্থিতিশীলতা সৃষ্টি হওয়ায়, আশ্রয়ের জন্য ইউরোপে আসা লোকদের সংখ্যা কমেছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন এজেন্সি ফর অ্যাসাইলাম-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য ২ হাজার ৮৯১ জন বাংলাদেশি আবেদন করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আবেদন জার্মানি, ফ্রান্স এবং ইতালিতে এসেছে, তবে জার্মানিতে কতজন আবেদন করেছেন তা এখনও পরিষ্কার হয়নি।
জার্মানিতে এ বছর যারা আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেছেন, তাদের বেশিরভাগ আবেদন এখনও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তাই আবেদনকারীদের জন্য সামগ্রিক পরিসংখ্যান এখনো পাওয়া যায়নি।
জার্মানির সরকার অভিবাসন নীতি কঠোর করার মাধ্যমে অভিবাসন প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছে, তবে এর ফলে আসা মানুষদের জন্য নানা চ্যালেঞ্জ এবং তাদের সামাজিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যান্য দেশেও এই নীতির প্রভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে বৃহত্তর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব ফেলতে পারে। অর্ধেকে নেমে এসেছে
জার্মানিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন নাটকীয়ভাবে কমেছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত দেশটিতে আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেছেন ৯৭ হাজার ২৭৭ জন। গত বছরের একই সময়ে এ সংখ্যা ছিল এক লাখ ৯৯ হাজার ৯৪৭ জন। অর্থাৎ আবেদনকারীর সংখ্যা কমেছে অর্ধেকেরও বেশি।
জার্মানির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২ নভেম্বর (রোববার) প্রকাশিত মাসিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। মন্ত্রণালয় আশ্রয় আবেদন হ্রাসের ঘটনাকে সরকারের কঠোর অভিবাসন নীতির সফলতা হিসেবে দেখছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডোব্রিন্ট বলেন, আমাদের অভিবাসন কৌশল সফলভাবে কাজ করছে। আমরা জার্মানিকে অবৈধ অভিবাসীদের জন্য স্বর্গে পরিণত হতে দিইনি। ফলে অবৈধ অভিবাসীদের প্রবেশ ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে।
তিনি আরও জানান, সীমান্তে কঠোর নজরদারি চালু হওয়ায় অবৈধ অনুপ্রবেশ অনেকটাই ঠেকানো সম্ভব হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়, এ বছরের মে মাস থেকে অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ১৮ হাজার ৬০০ জনকে জার্মানির সীমান্ত থেকেই ফেরত পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় জানায়, আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়ার পেছনে ইউরোপের প্রতিবেশী বলকান অঞ্চলে কড়া সীমান্ত নজরদারি ব্যবস্থা এবং সিরিয়ার রাজনৈতিক পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। গত বছর সিরিয়ার দীর্ঘদিনের শাসক বাশার আল-আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর সেখানকার পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে, যা অভিবাসন হ্রাসে প্রভাব ফেলেছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন এজেন্সি ফর অ্যাসাইলাম-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শুধুমাত্র আগস্ট মাসেই ২ হাজার ৮৯১ জন বাংলাদেশি রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য ইউরোপের দেশগুলোতে আবেদন করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশই জার্মানি, ফ্রান্স ও ইতালিতে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন। তবে জার্মানিতে কতজন আবেদন করেছেন, তা প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়নি। জার্মানিতে এ বছর যারা আবেদন করেছেন, তাদের বেশিরভাগের আবেদনই এখনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।