সারাদেশ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নদী খনন কর্মসূচির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে: প্রতিমন্ত্রী টুকু
বিগত সময়ে যে অনিয়ম হয়েছে তা সে ব্যাপারে অবশ্যই তদন্ত করা হবে এবং প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, যমুনা নদী বাংলাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য নদী। নদীর নাব্যতা যাতে নষ্ট না হয় এবং নাব্যতা যখন নষ্ট হয় তখনি ভাঙন বিভিন্ন দিকে চলে যায়। নদীর গতিপথ যখন ঠিক থাকবে তখন ভাঙন তৈরি হবে না। সেজন্যে নদীর নাব্যতা ধরে রাখতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খাল ও নদী খনন কর্মসূচির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে টাঙ্গাইল-ভূঞাপুর-তারাকান্দি আঞ্চলিক জেলা মহাসড়কের ভূঞাপুরের নলিন ও গোপালপুরের শাখারিয়া এলাকায় ভাঙন পরিদর্শনে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী টুকু বলেন, ভূঞাপুর-তারাকান্দি আঞ্চলিক সড়কের শাখারিয়া ভাঙনরোধে সার্বক্ষণিক আমার বড় ভাই সাবেক শিক্ষা-উপমন্ত্রী বর্তমান সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টু তদারকি করেছেন। ইতোমধ্যে জিও ব্যাগ ও টিউব জিওব্যাগ ডাম্পিং করার ফলে ভাঙনরোধ সম্ভব করা হয়েছে এবং এখানে এ পর্যন্ত প্রায় ২৫ হাজার জিওব্যাগ ফেলা হয়েছে, বেরিবাঁধ নির্মাণের জন্য আমরা কাজও করছি। ভূঞাপুর থেকে টাঙ্গাইল হয়ে মানিকগঞ্জ পর্যন্ত এ পাশে আর যেন ভাঙন না হয় সেজন্যে একটি স্থায়ী বেরিবাঁধ নির্মাণের উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছে।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বিগত আমলে স্বৈরাচারি যারা সরকার ছিল তাদের লুটপাট ও দুর্নীতির কারণে এ দেশের জনগণ তাদেরকে আন্দোলনের মাধ্যমে বিতারিত করেছে। কাজেই তাদের অনিয়মের বিষয়ে অবশ্যই তদন্ত হবে এবং সামনে আরও পরিকল্পতিভাবে মজবুত বেরিবাঁধ নির্মাণ করতে পারি সে ব্যাপারে এগোচ্ছি।
এ সময় টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু, ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহবুব হাসান, টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাঈন উদ্দিন, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোপালপুর সার্কেল) ফৌজিয়া হাবীব খান, ভূঞাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম রেজাউল করিম, গোপালপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমীন, ভূঞাপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেলিমুজ্জামান তালুকদার সেলু প্রমুখসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।