খেলা
ইয়ামাল-তরেসের তাণ্ডবে সিউলের জালে বার্সেলোনার ৭ গোল
প্রথম থেকেই আগ্রাসী ফুটবল খেলেছে বার্সেলোনা। খেলা শুরুর অষ্টম মিনিটেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন রবার্ট লেভানদোভস্কি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি কাতালান জায়ান্টদের। দক্ষিণ কোরিয়ার ক্লাব সিউল এফসির বিপক্ষে একের পর এক গোল করে শেষ পর্যন্ত ৭-৩ ব্যবধানে বড় জয় তুলে নেয় বার্সা।
প্রাক-মৌসুম এশিয়া সফরের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয় এই প্রীতি ম্যাচটি। সিউলের ঘরের মাঠেই গোলের ফুলঝুরি ছুটিয়ে দেয় বার্সেলোনা।

তরুণ উইঙ্গার লামিনে ইয়ামাল ম্যাচের সবচেয়ে উজ্জ্বল মুখ। বার্সেলোনার ঐতিহ্যবাহী ১০ নম্বর জার্সি গায়ে এই ম্যাচেই প্রথম গোলের দেখা পান তিনি। শুধু একটিই নয়, প্রথমার্ধেই করেন দুটি দুর্দান্ত গোল। তার ছন্দে দিশেহারা হয়ে পড়ে সিউলের রক্ষণভাগ।
ম্যাচের চতুর্দশ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের নিচু শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ইয়ামাল। তবে ২৬তম মিনিটে গোল করে ব্যবধান কমায় ইয়াং-উক চো। এরপর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের শুরুতেই গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান সিউলের ইয়াহান আল-আরাবি। কিন্তু বেশি সময় টিকতে পারেনি স্বাগতিকরা। অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয় মিনিটেই নিজের দ্বিতীয় গোল করে আবারও বার্সেলোনাকে এগিয়ে দেন ইয়ামাল।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে বার্সা। ডেনিশ ডিফেন্ডার আন্দ্রেয়াস ক্রিস্টেনসেন ৫৫ মিনিটে গোল করে ব্যবধান বাড়ান। এরপর একে একে গোল করেন গাভি ও ফেররান তরেস। তরেস শেষ পর্যন্ত ম্যাচে জোড়া গোল করেন। নির্ধারিত সময়ের দুই মিনিট আগে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ম্যাচের ফল ৭-৩ করে দেন তিনি।

সিউল এফসি দ্বিতীয়ার্ধে একটি গোল শোধ করলেও তাতে খুব একটা লাভ হয়নি। পুরো ম্যাচে বল দখলে ৭৩ শতাংশ সময় নিয়ন্ত্রণে রেখেছে বার্সা। গোলের উদ্দেশে শট নিয়েছে ১৯টি, যার ১৩টি ছিল সরাসরি লক্ষ্যে। অন্যদিকে সিউল নিয়েছে ৯টি শট, যার মধ্যে ৪টি ছিল টার্গেটে।
বার্সার কোচ হান্সি ফ্লিক আগের ম্যাচের মতো এবারও দুই অর্ধে দুই আলাদা একাদশ খেলান। তবুও মাঠে কোনোভাবেই ছন্দ হারায়নি দলটি।
এর আগে জাপানি ক্লাব ভিসেল কোবেকে ৩-১ গোলে হারিয়েছিল বার্সেলোনা। এশিয়া সফরের শেষ ম্যাচে তারা মাঠে নামবে আগামী সোমবার, দক্ষিণ কোরিয়ার আরেক ক্লাব দেগু এফসির বিপক্ষে।