সারাবিশ্ব

ইরান যুদ্ধে অস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার কথা স্বীকার করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প


সারাবিশ্ব ডেস্ক
প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২২ এএম

ইরান যুদ্ধে অস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার কথা স্বীকার করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক ধরনের গোলাবারুদের মজুত কমে এসেছে বলে স্বীকার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে অস্ত্রের ঘাটতি নিয়ে পেন্টাগনের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনকে ‘বেশিরভাগই ভুয়া খবর’ বলে দাবি করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) প্রকাশিত টাইম ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, কয়েক ধরনের গোলাবারুদের মজুত অন্যগুলোর তুলনায় কিছুটা কম। তবে যুক্তরাষ্ট্র আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি পরিমাণে অস্ত্রের মজুত বাড়াচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এমন মাত্রায় মজুত করছি, যা এর আগে কখনো করিনি।’

এর প্রায় দুই সপ্তাহ আগে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের মহাপরিদর্শকের কার্যালয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ পরিচালনার সময় ব্যাপক গোলাবারুদ ব্যবহারের কারণে কৌশলগত অস্ত্রের মজুতে ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

এ ছাড়া গোলাবারুদের মজুত পুনরায় পূরণে মার্কিন প্রতিরক্ষা শিল্পের সক্ষমতার ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার বিষয়ও প্রতিবেদনে উঠে আসে। তবে এসব তথ্যকে ‘বেশিরভাগই ভুয়া খবর’ বলে উড়িয়ে দেন ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মজুত পুনরায় পূরণ করতে কত অর্থ ব্যয় হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, এর খরচ ভেনেজুয়েলায় এক মাসে যুক্তরাষ্ট্রের আয়ের চেয়েও কম হবে।

এদিকে সাক্ষাৎকারে সৌদি আরব ও ইসরায়েলের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রেও নিজের ভূমিকার কথা তুলে ধরেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি প্রেসিডেন্ট না হলে সৌদি আরবের অস্তিত্ব থাকত না। একইভাবে তার নেতৃত্ব ছাড়া ইসরায়েলও টিকে থাকতে পারত না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ট্রাম্প বলেন, ‘সৌদি আরবের জন্য আমি অনেক কিছু করেছি। আমি সৌদি আরবকে সুরক্ষা দিই। আমি প্রেসিডেন্ট না হলে সৌদি আরব এখন আর থাকত না। ইসরায়েলও থাকত না। তাদের পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে ফেলা হতো।’

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, তিনি যুবরাজকে পছন্দ করেন এবং তাদের সম্পর্ক খুব ভালো।

এরপর আবারও নিজের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, তিনি না থাকলে সৌদি আরব ও ইসরায়েলসহ আরও বিভিন্ন দেশের অস্তিত্ব থাকত না।

এর আগে কয়েকটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, ইরান-সমর্থিত হুথিদের বিরুদ্ধে ইয়েমেনে সৌদি বাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে হামলা চালানোর অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছেন ট্রাম্প।

সূত্র: টাইম ম্যাগাজিন