জাতীয়

এনবিআরের ১৭ কর্মকর্তার সম্পদের হিসাব চাইল দুদক


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৫, ০৭:৪২ পিএম

এনবিআরের ১৭ কর্মকর্তার সম্পদের হিসাব চাইল দুদক
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ১৭ কর্মকর্তার সম্পদ বিবরণী চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অনুসন্ধানে তাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার পর এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দুদকের প্রধান কার্যালয় সেগুনবাগিচায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন। তিনি বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(১) ধারা এবং দুদক বিধিমালা, ২০০৭-এর ১৭ নম্বর বিধির আলোকে এসব কর্মকর্তাকে নির্ধারিত ছকে সম্পদ ও দায়-দেনার হিসাব জমা দিতে বলা হয়েছে।

যে ১৭ কর্মকর্তার হিসাব চাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে তারা হলেন- কর কমিশনার (কর অঞ্চল-৩) এম এম ফজলুল হক, কর আপিল ট্রাইব্যুনালের কমিশনার লোকমান আহমেদ, আয়কর গোয়েন্দা ইউনিটের অতিরিক্ত কর কমিশনার সাহেলা সিদ্দিক, অতিরিক্ত কর কমিশনার মো. মামুন মিয়া, ভ্যাট গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার হাছান তারিক রিকাবদার, যুগ্ম কর কমিশনার মোনালিসা সাহরিন সুস্মিতা, কর অ্যাকাডেমির যুগ্ম-কর কমিশনার মো. মোরশেদ উদ্দিন খান, কর অঞ্চল ৮-এর অতিরিক্ত কর কমিশনার মির্জা আশিক রানা, কর অঞ্চল ১৬-এর উপকর কমিশনার মো. শিহাবুল ইসলাম, অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুল রশিদ মিয়া, রেলওয়ে কাস্টমসের কমিশনার মো. কামরুজ্জামান, কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট পূর্বাঞ্চলের কমিশনার কাজী মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন, কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার সাধন কুমার কুন্ডু, এনবিআরের যুগ্ম কমিশনার মো. তারিক হাছান, এনবিআরের সিআইসির সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আলমগীর হোসেন, এনবিআরের সদস্য মো. লুৎফুল আজিম ও সদস্য (আয়কর নীতি) এ কে এম বদিউল আলম।

এর আগে, গত জুলাই মাসে তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরুর সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। অভিযোগ রয়েছে, এসব কর্মকর্তা কর ও শুল্ক আদায়ের ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের ঘুষ গ্রহণ করে কর ফাঁকির সুযোগ করে দিয়েছেন, আবার কিছু ক্ষেত্রে ঘুষ না পেয়ে ভুয়া মামলা দিয়ে করদাতাদের হয়রানি করেছেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, অতিরিক্ত কর পরিশোধ করার পর করদাতাদের সেই টাকা ফেরত পেতে ঘুষ দিতে হয় সংশ্লিষ্ট কর কর্মকর্তাদের। কেউ কেউ এই পদ্ধতিতে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ উপার্জন করেছেন। এছাড়া বিভিন্ন স্টেশনে কর্মকালীন সময়ে নিজেদের অবস্থানকে ব্যবহার করে ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে কর ফাঁকির সুযোগ দিয়েও লাভবান হয়েছেন এসব কর্মকর্তা।