জাতীয়
দেড় যুগ পর আজ মুক্ত পরিবেশে শুরু হলো নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা।
গত বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রতীক বরাদ্দের কাজ শেষ হওয়ার পর আজ সকাল থেকেই প্রার্থীরা নিজ নিজ নির্বাচনি এলাকায় ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যেতে শুরু করেছেন।
প্রায় ১৮ বছর পর দেশে এমন একটি উন্মুক্ত ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হওয়ায় সাধারণ ভোটার ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। এ প্রচারের মাধ্যমে এতদিনের একতরফা নির্বাচনের আড়ষ্টতা কাটিয়ে প্রকাশ্যে ফিরছে ভোটের উৎসব।
প্রচারকে সামনে রেখে আজ থেকেই প্রার্থীরা মাঠে নামার প্রস্তুতি নিয়েছেন। এর আগে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিয়োগপ্রাপ্ত রিটার্নিং অফিসাররা ২৯৮ (পাবনা-১ ও ২ বাদে) সংসদীয় আসনে গতকাল বুধবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা পর্যন্ত প্রার্থীরা তাদের প্রচারের সুযোগ পাবেন।
এদিকে, নির্বাচনি প্রচারের প্রথম দিনেই চমক থাকছে বড় দলগুলোর, বিশেষ করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মসূচিতে। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচার শুরু করবেন।
অনুরূপভাবে, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানও আজ থেকে দেশব্যাপী নির্বাচনি প্রচারে অংশ নেবেন। দলটি আধুনিক ও ইনসাফ কায়েমের স্লোগান নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাওয়ার কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
তফসিল ঘোষণার পর ভোটের ২১ দিন আগে সব ধরনের প্রচারে বিধি-নিষেধ আরোপ করা আছে। কিন্তু বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তা মানেনি। তবে, মূল প্রচার শুরুর থেকে নির্বাচন কমিশন (ইসি) স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, প্রচারের সময় অবশ্যই আচরণবিধি মেনে চলতে হবে। প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মাইকিং করা যাবে। তফসিল ঘোষণার পর নিয়ম ভেঙে আগেভাগেই প্রচার চালানোয় ইতোমধ্যে অনেক প্রার্থীকে শোকজ ও জরিমানা করা হয়েছে।