জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর পররাষ্ট্রনীতির মানদণ্ড নিশ্চিত করেছে: অর্থমন্ত্রী


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২৬, ০৭:৪০ পিএম

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর পররাষ্ট্রনীতির মানদণ্ড নিশ্চিত করেছে: অর্থমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফর বাংলাদেশের নিজস্ব পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তিতেই পরিচালিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এ সফরের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের একটি সুস্পষ্ট মানদণ্ড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) সকাল ১১টায় স্পিকার হাফিজ আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের ১৬তম দিনের বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকের শুরুতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফরের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই একটি ইতিবাচক সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের প্রয়োজন ছিল। প্রধানমন্ত্রী সেই পরিবর্তনের সূচনা করেছেন। বিদেশ সফরে যাওয়া কিংবা দেশে ফেরার সময় বিমানবন্দরে বিপুল জনসমাগমের মাধ্যমে সংবর্ধনা নেওয়ার প্রচলিত রীতি তিনি পরিহার করেছেন। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতের রাজনীতির জন্য একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সফরের কূটনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, এ সফরের মূল ভিত্তি ছিল পারস্পরিক শ্রদ্ধা, পারস্পরিক স্বার্থ, অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং নিজস্ব কৌশলগত স্বাধীনতা বজায় রাখা। তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে বহুমাত্রিক পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তি গড়ে তুলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী তার সাম্প্রতিক সফরের মাধ্যমে সেই ধারাবাহিকতাই বজায় রেখেছেন। দেশের স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণের প্রশ্নে সরকার কোনো ধরনের আপস করবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অর্থনৈতিক দিক থেকে সফরের গুরুত্ব তুলে ধরে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের শ্রমবাজারের গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ রয়েছে। পাশাপাশি জ্বালানি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ খাতেও দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার বিস্তৃত সুযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার। সফরে অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং চীনের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দেশের রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা ও মানদণ্ড হিসেবে কাজ করবে।