সারাদেশ

এ অঞ্চলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তাবয়ন করা হবে: তারেক রহমান 


নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:৪৪ পিএম

এ অঞ্চলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তাবয়ন করা হবে: তারেক রহমান 
ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান বলেছেন, দিনাজপুরের লিচু বিখ্যাত লিচু এই লিচুকে প্রক্রিয়াজাত করে আমরা বিদেশে রপ্তানি করতে চাই। বিএনপি দেশের উন্নয়নে একটি রুপরেখা নিয়ে কাজ করছে। সেই রুপরেখার আলোকে দেশের প্রতিটি জেলায় তাদের উৎপাদিত পণ্যের উপর ভিত্তি করে শিল্প কারখানা গড়ে তোলা হবে। তিস্তা ব্যরেজ মহাপরিকল্পনা চালু করতে চাই। তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা চালু হলে এ অঞ্চলে পানির কষ্ট লাঘব হবে।

এ অঞ্চলে লিচু, কাটারিভোগ চাল বিখ্যাত। এসব পন্য বিদেশে রপ্তানীর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। লিচু প্রক্রিয়াজাতের ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। বেকারদের ভোকেশনাল ট্রেনিং এর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। কৃষকদের ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের কৃষি কার্ড দেওয়া হবে।  কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ লোন মওকুফ করা হবে। ধর্ম, বর্ণ, দল, মত নির্বিশেষে সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই। যেন বাংলাদেশে নারীরা নিরাপদে চলাচল করতে পারবে। বাংলাদেশে  মানুষের পরিচয় হবে যোগ্যতায়, ধর্ম, বর্ণ, জাতে নয়।

আজ শনিবার দিনাজপুরের বিরামপুর সরকারি কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান আরো বলেন, আমাদের ভাগ্যের পরিবর্তন আমাদের হাতে। আমরা যদি পরিশ্রম করি, আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে পারবো।

বিএনপি সকল ধর্মের মানুষকে সাথে নিয়ে শান্তিতে বসবাস করতে চাই। আগামীদিনের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমাদের মধ্যে কোন বিভেদ রাখা যাবেনা। দেশের বিরুদ্ধে, জনগনের বিরুদ্ধে যারা ষড়যন্ত্র করছে তাদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে।

বেগম খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, আপনাদের এলাকার সন্তান খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে শত শত  ষড়যন্ত্র হয়েছে, হুমকি হয়েছে, মৃত্যুর দিকে তাকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে কিন্তু উনি আপনাদের কে ছেড়ে যাননি। উনি এই বাংলাদেশেই ছিলেন।

এ সময় তিনি দিনাজপুরে ছয়টি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন।

তিনি আরও বলেন, দিনাজপুর জেলাকে শিল্প কারখানা গড়ে তোলা হবে,অনাবাদি তুমি কে আবাদের আওতায় আনা হবে। প্রতিটি জেলার স্ব-স্ব উৎপাদিত পণ্যের গুরুত্ব অনুযায়ী কলকারখানা করা তৈরি হবে। এজন্য কৃষকদের কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। নারীদের শিক্ষার গুরুত্ব দেওয়া হবে। প্রতিটি পরিবারের জন্য একটি করে ফ্যামিলি কার্ডের ব্যবস্থা করব। স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে কাজ করব। হাসপাতাল গুলোকে মেরামত ও ইউনিয়ন পর্যায়ে হেলথ কেয়ার চালু করা হবে। এজন্য সকলের সমর্থন দরকা। উত্তরাঞ্চলের অবহেলিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নই হবে দলের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।  তাই ১২ তারিখে ধানের শীষ ভোট দিতে হবে।

আজ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ৩টার সময় দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার সরকারি কলেজ মাঠে বিএনপির সমাবেশে তিনি এ সব কথা বলেন।

দিনাজপুর জেলা বিএনপির  সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন দুলাল এর সভাপতিত্বে ও  জেলা সাধারণ সম্পাদক বকতিয়ার আহাম্মেদ কচির সঞ্চালনায়,সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন,দিনাজপুর- ৬ আসনের প্রার্থী ও স্থায়ী কমিটি সদস্য এ জেডএম জাহিদ হোসেন, ৪ আসনের প্রাথী আকতারুজ্জামন,৫ আসনের প্রাথী কামরুজ্জামান,জেলা মহিলা দলের সভাপতি জিনা তারা, মাসুদুল ইসলাম মাসুদ,আকতারুজ্জামান,রেজাউল ইসলাম,রুবেল ইসলাম,রাসেল ইসলাম,মজিবুর রহমান মতি, আঃ সাত্তার, শামীম, তরিকুল ইসলাম, মামুনুর রশিদ মিয়া,ফেরদাউস রহমান,হুমায়ন কবির,হাছানুজ্জমান,খালেকুজ্জান বাবু,মোকাররম রহমান,এমএ জলিল,আমিনুল ইসলাম,মকবুলার রহমান গর্কি।