খেলা

চট্টগ্রামকে হারিয়ে বিপিএলের নতুন চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স


স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৫৭ পিএম

চট্টগ্রামকে হারিয়ে বিপিএলের নতুন চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স
ছবি: সংগৃহীত

খুব একটা উত্তেজনা ছড়াতে না পারা ফাইনালে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে একেবারেই সুযোগ দেয়নি রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ব্যাটে-বলে একচেটিয়া আধিপত্য দেখিয়ে ৬৩ রানের বড় ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে বিপিএলের নতুন চ্যাম্পিয়ন হলো নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৭৪ রান তোলে রাজশাহী। জবাবে চট্টগ্রাম রয়্যালস গুটিয়ে যায় মাত্র ১১১ রানে।

এটি রাজশাহী ফ্র্যাঞ্চাইজির দ্বিতীয় বিপিএল শিরোপা। এর আগে ২০১৯-২০ মৌসুমে রাজশাহী রয়্যালস নামেই তারা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। বিপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি চারবার শিরোপা জিতেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। তিনবার করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ঢাকা, দুবার বরিশাল ও রাজশাহী এবং একবার শিরোপা জিতেছে রংপুর রাইডার্স।

ফাইনালে টস জিতে রাজশাহীকে ব্যাটিংয়ে পাঠান চট্টগ্রামের অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় রাজশাহী। ওপেনিংয়ে তানজিদ হাসান তামিম ও সাহিবজাদা ফারহান গড়েন ৮৩ রানের জুটি। ফারহান ৩০ বলে ৩০ রান করে আউট হন।

rajshahi1_Dhakaprokash.jpg

এরপর তানজিদের সঙ্গে ৪৭ রানের জুটি গড়েন কেন উইলিয়ামসন। ১৫ বলে ২৪ রান করে শরিফুল ইসলামের বলে বিদায় নেন এই নিউজিল্যান্ড ব্যাটার।

একপ্রান্ত আগলে রেখে খেলতে থাকেন তানজিদ হাসান তামিম। ফিফটি পেরিয়ে তুলে নেন দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি। বিপিএলের চলতি আসরে এটি তার চতুর্থ শতক। একই সঙ্গে বিপিএল ফাইনালে তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন তিনি—এর আগে ফাইনালে শতক করেছিলেন ক্রিস গেইল ও তামিম ইকবাল।

৬২ বলে ১০০ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন তানজিদ, যেখানে ছিল ছয়টি চার ও সাতটি ছক্কা। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত করেন ১১ রান এবং জিমি নিশাম ৭ রানে অপরাজিত থাকেন।

চট্টগ্রামের হয়ে বল হাতে দুটি করে উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম ও মুকিদুল ইসলাম।

১৭৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে চট্টগ্রাম রয়্যালস। দলীয় ১৮ রানের মধ্যেই সাজঘরে ফেরেন দুই ওপেনার। মোহাম্মদ নাঈম শেখ করেন ১০ বলে ৯ রান, আর মাহমুদুল হাসান জয় খালি হাতেই ফেরেন। হাসান নেওয়াজ ৭ বলে ১১ রান করেন।

মধ্যক্রমে মির্জা বেগ ও উইকেটকিপার জাহিদুজ্জামান কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও ধীরগতির ব্যাটিংয়ে ম্যাচ চট্টগ্রামের নাগালের বাইরে চলে যায়। জাহিদুজ্জামান ১৩ বলে ১১ রান এবং মির্জা বেগ ৩৬ বলে ৩৯ রান করে আউট হন।

শেষ পর্যন্ত রাজশাহীর বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১১১ রানেই থেমে যায় চট্টগ্রামের ইনিংস। ফলে দাপুটে জয় নিয়ে বিপিএলের নতুন চ্যাম্পিয়নের মুকুট পরে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।