খেলা
বিশ্বকাপে শুরুতেই ধাক্কা, হেক্সা মিশন সফল করতে পারবে ব্রাজিল?
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফরম্যান্স দেখাতে পারেনি ব্রাজিল। শক্ত প্রতিপক্ষ মরক্কোর সঙ্গে ১-১ গোলের ড্র করে মাঠ ছাড়তে হয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। ফলে শুরুতেই হোঁচট খেয়ে হেক্সা মিশন নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের মুখে পড়েছে সেলেসাওরা।
স্বপ্ন আর উচ্ছ্বাস নিয়ে মাঠে নামলেও শুরুটা ছিল অগোছালো। ভুল পাস, দুর্বল সমন্বয় আর ছন্নছাড়া খেলায় প্রথমার্ধে নিজেদের ছায়া হয়েই ছিল ব্রাজিল। অন্যদিকে সংগঠিত ফুটবল আর দ্রুত আক্রমণে শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে মরক্কো।
ম্যাচের ২১তম মিনিটে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রক দিয়াজের চমৎকার থ্রু পাস ধরে এগিয়ে যান ইসমায়েল সাইবারি। গোলরক্ষক আলিসন সামনে এগিয়ে এলেও ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।
গোল হজমের পর কিছুটা জেগে ওঠে ব্রাজিল। ৩২তম মিনিটে ডান প্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢুকে দারুণ এক শটে গোল করে সমতা ফেরান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ব্রাজিলের জার্সিতে এটি ছিল তার ৫০তম গোল।
প্রথমার্ধের পর ম্যাচে তেমন গতি ছিল না। দুই দলই মাঝমাঠে বল দখলের লড়াইয়ে ব্যস্ত থাকলেও উল্লেখযোগ্য আক্রমণ বা গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ফলে শেষ পর্যন্ত ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় উভয় দলকে।
পরিসংখ্যানেও দেখা যায়, মরক্কো ১৩টি শট নিলেও লক্ষ্যভেদ করে ৪টি, আর ব্রাজিল ৮টি শটের মধ্যে ৪টিই অন টার্গেটে রাখে। ব্রাজিলের কাসিমিরো ও রজার ইবানেজ দেখেন হলুদ কার্ড।
এর আগে ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে একমাত্র দেখায় মরক্কোকে ৩-০ গোলে হারিয়েছিল ব্রাজিল। তবে এবার সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি তারা।
চোটের কারণে এই ম্যাচে খেলতে পারেননি নেইমার। তার অনুপস্থিতি মাঠে স্পষ্টভাবেই অনুভূত হয়েছে। পরবর্তী ম্যাচে তার ফেরার সম্ভাবনা থাকলেও শুরুতেই পয়েন্ট খোয়ানোয় চাপে পড়েছে দলটি।
সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের শুরুটা আশানুরূপ না হওয়ায় এখন বড় প্রশ্ন ব্রাজিল কি পারবে তাদের বহু প্রতীক্ষিত হেক্সা স্বপ্ন পূরণ করতে?