খেলা
বিশ্বকাপ থেকে ফিফার আয়ের টাকা যেভাবে পাবে বাংলাদেশও, কিন্তু কীভাবে?
১৯৩০ সালে মাত্র ১৩টি দল নিয়ে যাত্রা শুরু করা ফুটবল বিশ্বকাপ এখন এক বিশাল আয়োজন। সময়ের সঙ্গে দলসংখ্যা বেড়ে ১৬, ২৪ ও ৩২ পেরিয়ে ২০২৬ আসরে দাঁড়িয়েছে ৪৮-এ। এই বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে আয়ও, আর সেই আয়ের অংশীদার হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ।
২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য মোট পুরস্কারমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে রেকর্ড ৮৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের ২০২২ আসরের তুলনায় প্রায় ৬৫ শতাংশ বেশি। শুধু অংশগ্রহণকারী দল নয়, বিশ্বকাপ থেকে অর্জিত অর্থের একটি অংশ সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়নে বরাদ্দ দেয় বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এর আওতায় বিশ্বকাপ শেষে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনও অর্থ পাবে।
এ প্রসঙ্গে সাবেক জাতীয় ফুটবলার জুলফিকার মাহমুদ মিন্টু জানান, বিশ্বকাপের আয় থেকে নির্দিষ্ট একটি অংশ বিশ্বজুড়ে সব সদস্য ফেডারেশনের মধ্যে বণ্টন করা হয়। এর মূল লক্ষ্য হলো বিভিন্ন দেশের ফুটবল কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করা।
তিনি আরও বলেন, দলসংখ্যা ৪৮-এ উন্নীত হওয়ায় এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলোর জন্য বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ বেড়েছে। ফলে এসব অঞ্চলে ফুটবলের বিকাশ ত্বরান্বিত হবে।
পুরস্কারমূল্যের দিক থেকেও এবারের আসরটি বেশ আকর্ষণীয়। অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দল শুরুতেই প্রস্তুতি ও যাতায়াত ব্যয়ের জন্য পেয়েছে ২৫ লাখ ডলার। গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলো পেয়েছে ১ কোটি ২৫ লাখ ডলার।
দ্বিতীয় রাউন্ডে বাদ পড়া দলগুলোর প্রাপ্তি ১ কোটি ২০ লাখ ডলার, শেষ ষোলো থেকে বিদায় নিলে ১ কোটি ৬০ লাখ ডলার এবং কোয়ার্টার ফাইনালে থামা দলগুলোর জন্য বরাদ্দ ২ কোটি ডলার।
এ ছাড়া চতুর্থ স্থান অধিকারী দল পাবে ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার, তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দল ২ কোটি ৯০ লাখ ডলার, রানার্সআপ পাবে ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার এবং বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দল ঘরে তুলবে রেকর্ড ৫ কোটি মার্কিন ডলার।