শিক্ষা
ঢাবির নতুন উপাচার্য নিয়োগে আলোচনায় দুই নারীসহ ৭ শিক্ষক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান পদত্যাগ করেছেন। সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে শূন্য হওয়া পদে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হবে।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
পদত্যাগপত্র গ্রহণের পরপরই নতুন উপাচার্য নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম নিয়ে ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গন ও সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
উপাচার্য পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে যাদের নাম আলোচনায় রয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন— পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান এবং মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান।
অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)-এর সভাপতি। অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বর্তমানে ঢাবির উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য হিসেবে দায়িত্বে আছেন।
এছাড়া অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান কলা অনুষদের ডিন ও বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান সাদা দলের বর্তমান আহ্বায়ক এবং ইউট্যাবের মহাসচিব।
উপাচার্য পদে আলোচনায় আছেন আরও দুই নারী শিক্ষক। অধ্যাপক ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রোভিসি)। অন্যদিকে অধ্যাপক ড. তাহমিনা আখতার (টফি) সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক এবং সমাজকর্ম বিষয়ে দীর্ঘদিনের শিক্ষক ও গবেষক।
বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারের সিদ্ধান্তের পরই নতুন উপাচার্য নিয়োগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।