সারাবিশ্ব
ফ্লোটিলার কোনো নৌযান অবরোধ ভাঙতে পারেনি, দাবি ইসরায়েলের
গাজার অবরুদ্ধ মানুষের জন্য সমুদ্রপথে ত্রাণ পাঠাতে গঠিত ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’র কোনো নৌযানই ইসরায়েলের আরোপিত অবরোধ অতিক্রম করতে পারেনি বলে জানিয়েছে তেলআভিভ।
বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করে, যুদ্ধক্ষেত্রে প্রবেশ কিংবা অবরোধ ভাঙার যেকোনো চেষ্টাই তারা প্রতিহত করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘হামাস-সুমুদ' ঘনিষ্ঠ বা প্ররোচনামূলক হিসেবে বিবেচিত কোনো নৌযানই গাজার উপকূলে পৌঁছাতে পারেনি। এমনকি এখনো যে একটি নৌযান দূরবর্তী অবস্থানে রয়েছে, সেটিও যদি এগিয়ে আসে, তবে তার গমনও ঠেকিয়ে দেওয়া হবে।

ইতিমধ্যেই বুধবার, ইসরায়েলি নৌবাহিনী প্রায় ৪০টি বেসামরিক নৌযান আটকে দিয়েছে বলে জানায় দেশটির প্রশাসন। এই বহরে থাকা যাত্রীদের মধ্যেই ছিলেন বিশ্বজুড়ে পরিচিত পরিবেশকর্মী সুইডেনের গ্রেটা থুনবার্গ। তিনিও আটক ব্যক্তিদের তালিকায় আছেন বলে দাবি করছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।
গাজার উদ্দেশে যাত্রা করা এই মানবিক ফ্লোটিলা মূলত যাত্রা শুরু করে গত ৩১ আগস্ট, স্পেনের বার্সেলোনা থেকে। পরে ১৩ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইতালির সিসিলি দ্বীপ ও তিউনিসিয়া থেকেও বেশ কয়েকটি নৌযান এই বহরে যোগ দেয়। পাশাপাশি গ্রিসের সাইরাস দ্বীপ থেকেও অংশ নেয় কিছু ত্রাণবাহী নৌযান।
‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ নামের এই উদ্যোগটি গাজার অবরুদ্ধ মানুষের জন্য বিশ্বব্যাপী একাত্মতা প্রকাশ এবং সরাসরি সমুদ্রপথে খাদ্য, ওষুধসহ মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে গঠিত হয়। ফ্লোটিলায় প্রায় ৪৪টি দেশের প্রায় ৫০০ জন মানুষ অংশ নিয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের নির্বাচিত সদস্য, চিকিৎসক, সাংবাদিক, আইনজীবী, মানবাধিকারকর্মীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ।