লাইফস্টাইল
ওজন কমাতে ও সুগার নিয়ন্ত্রণে কাঠবাদামের কার্যকারিতা
ওজন কমানো ও সুগার নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হিসেবে কাঠবাদাম বা আমন্ডকে পুষ্টিকর খাবারের তালিকায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। নিয়মিত ও পরিমিত পরিমাণে আমন্ড খাওয়ার অভ্যাস শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদরা।
আমন্ডে রয়েছে উচ্চমাত্রার প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন-ই, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ম্যাগনেশিয়ামসহ নানা ধরনের খনিজ উপাদান, যা শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি চাহিদা পূরণে সাহায্য করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা:
পুষ্টিবিদদের মতে, সকালে ৩–৪টি আমন্ড খেলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে। এতে অপ্রয়োজনীয় খাবার গ্রহণের প্রবণতা কমে যায়, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও উপকারী:
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমন্ড টাইপ-টু ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে। রক্তে শর্করার ভারসাম্য বজায় রাখতে এটি কার্যকর একটি খাবার হিসেবে বিবেচিত হয়।
পরিমাণ কত হওয়া উচিত:
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, দিনে সাধারণত ৭ থেকে ৮টির বেশি আমন্ড না খাওয়াই ভালো। অতিরিক্ত গ্রহণে হজমে সমস্যা, গ্যাস বা পেটের অস্বস্তি দেখা দিতে পারে।
খাওয়ার সঠিক পদ্ধতি:
হজমের সমস্যা থাকলে আমন্ড ভিজিয়ে খোসা ছাড়িয়ে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এতে এটি সহজে হজম হয়।
এছাড়া আমন্ডকে বিভিন্নভাবে খাদ্যতালিকায় যুক্ত করা যায়:
সকালের স্মুদি বা দুধ-ফল মিশ্রণে আমন্ড যোগ করা যেতে পারে। বিভিন্ন বীজজাতীয় খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে পুষ্টিগুণ বাড়ে এবং হজমে সহায়তা হয়। এছাড়া খোসা ছাড়িয়ে আমন্ড দিয়ে দুধ তৈরি করেও খাওয়া যায়।
নিয়মিত ও পরিমিতভাবে আমন্ড খাওয়ার অভ্যাস শরীরকে সুস্থ রাখতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
সূত্র: এবিপি