জাতীয়

ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না, ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটার ও প্রশাসনের দিন


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৩০ এএম

ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না, ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটার ও প্রশাসনের দিন
এডিসি জুয়েল রানা। ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্যালট বাক্স ছিনতাই বা ভোটে অনিয়মের চেষ্টা হলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক ও কঠোর অবস্থানে থাকবে। কেউ ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে তাকে কঠিন পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।

ব্যালট বাক্স ছিনতাই প্রসঙ্গে তিনি জানান, সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা নির্বাচনী দায়িত্বে থাকবেন এবং তাদের কাছে আধুনিক অস্ত্র থাকবে। এ উপস্থিতি যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। সবার হাতে একে-৪৭ থাকবে, এগুলো দেখলে ভোটের ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার সাহসই পাবে না।

তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সন্ত্রাস, ভোট কারচুপি বা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না। নির্বাচন দিনে প্রতিটি কেন্দ্র থাকবে কড়া নজরদারিতে এবং যে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিন বিকেলে মোহাম্মদপুর তিন রাস্তার মোড়ে র‌্যাব, সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ ফুট পেট্রোল মহড়া শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জুয়েল রানা বলেন, মোহাম্মদপুর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় দুষ্কৃতিকারীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ডিএমপির এ কর্মকর্তা বলেন, ঢাকা-১৩ আসনে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী, র‌্যাব, পুলিশ ও বিজিবি সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এখন পর্যন্ত এলাকায় শতভাগ নিরাপদ পরিবেশ বজায় রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। প্রচারণা শেষ হওয়ায় পুরো আসন নিরাপত্তা বাহিনীর তত্ত্বাবধানে রয়েছে উল্লেখ করে ভোটারদের নির্ভয়ে কেন্দ্রে এসে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

দুষ্কৃতিকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভোটের আগেই যেন তারা মোহাম্মদপুর, আদাবর ও শেরেবাংলা নগর এলাকা ত্যাগ করে। ১২ ফেব্রুয়ারি হবে শুধুই ভোটার ও প্রশাসনের দিন।