রাজনীতি

সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন তারেক রহমান, ঢাকায় নামবেন দুপুরে


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:২৪ এএম

সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন তারেক রহমান, ঢাকায় নামবেন দুপুরে
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটে বিমানটি সেখানে অবতরণ করে। তার আগমনকে ঘিরে বিমানবন্দরে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সিলেট বিমানবন্দরে কোনো ধরনের সংবর্ধনা বা ভিড় না করার নির্দেশ দেওয়া হয়। ফলে বিমানবন্দর এলাকায় নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিল সীমিত। জানা গেছে, প্রায় এক ঘণ্টা যাত্রাবিরতির পর তারেক রহমানকে বহনকারী ফ্লাইটটি বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত সোয়া ১০টার দিকে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছান তারেক রহমান। সেখানে যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতাকর্মীরা তাকে বিদায় জানান। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বেষ্টনী পর্যন্ত নেতাকর্মীদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে ‘চেক-ইন’ সম্পন্ন করে তিনি ভেতরে প্রবেশ করেন। রাত সোয়া ১২টার দিকে বাংলাদেশ বিমানের নিয়মিত ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন তিনি।

এই ফ্লাইটে তারেক রহমানের সঙ্গে রয়েছেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। এছাড়া বিএনপির প্রায় ৫০ জন নেতাকর্মীও একই ফ্লাইটে দেশে ফিরছেন। ফ্লাইটটি সিলেট হয়ে ঢাকায় পৌঁছাবে।

ঢাকায় পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দসহ দেশের বিশিষ্ট ও বরেণ্য ব্যক্তিরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাবেন। এরপর তিনি সরাসরি পূর্বাচল রুটের ৩০০ ফিট সড়কে নির্মিত সংবর্ধনা মঞ্চে যাবেন। সেখানে তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও দেশবাসীর উদ্দেশে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবেন এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক করণীয় ও অঙ্গীকার তুলে ধরবেন।

এদিকে, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় করে রাখতে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় বিশাল সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ভোরের তীব্র শীত উপেক্ষা করেই সেখানে জনতার ঢল নেমেছে। বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, কুড়িল থেকে শুরু করে মঞ্চ এলাকা পর্যন্ত হাজার হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে।

নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। স্লোগান, প্ল্যাকার্ড আর উচ্ছ্বাসে মুখর পুরো এলাকা যেন এক বিশাল উৎসবকেন্দ্রে রূপ নিয়েছে। সবার কণ্ঠে ধ্বনিত হচ্ছে একটিই প্রত্যাশা—দীর্ঘ অপেক্ষার পর প্রিয় নেতা দেশে ফিরছেন।