খেলা
হারানো পদ ফিরে পেলেন বিসিবি পরিচালক নাজমুল
বাংলাদের ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের এক বক্তব্য ঘিরে সপ্তাহ খানেক আগে ক্রিকেটাঙ্গনে ছিল আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। ক্রিকেটারদের দাবির মুখে অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দিলেও সে পদ পুনরায় ফিরি পেয়েছেন নাজমুল ইসলাম।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভায় যোগ দিয়েছেন নাজমুল। সেখানেই তাকে অর্থ বিভাগের দায়িত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বিসিবির এই পরিচালক।
নিয়ম অনুযায়ী, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শোকজের জবাব দিতে হয়, তবে নির্ধারিত সময়ের পরে জবাব দিয়েছিলেন নাজমুল। ডিসিপ্লিনি কমিটির কাছে নিজের অবস্থান জানান নাজমুল, যা সন্তুষ্ট মনে হয়েছে বিসিবির। যে কারণে বিসিবির হারানো পদ ফিরে পেলেন তিনি।
উল্লেখ্য, নাজমুলকে নিয়ে বিতর্কের শুরু হয় ক্রিকেটারদের নিয়ে কিছু অসৌজন্যমূলক মন্তব্য করার পর। এর আগে ফেসবুক পোস্টে তামিম ইকবালকে ‘ভারতের দালাল’ বলেও বিতর্কিত হয়েছিলেন তিনি।
ক্রিকেটারদের স্বার্থরক্ষায় কাজ করা সংগঠন কোয়াবের সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন সম্প্রতি বিসিবির পরিচালক নাজমুল হোসেন শান্তর পদত্যাগ দাবি করেন। এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৫ জানুয়ারি বিপিএল বয়কটের সিদ্ধান্ত নেন মোহাম্মদ মিঠুন, নাজমুল হোসেন শান্ত ও মেহেদী হাসান মিরাজসহ কয়েকজন ক্রিকেটার।
বিপিএল বয়কটের ঘটনার পর নাজমুল হোসেন শান্তকে তাৎক্ষণিকভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নোটিশে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিতে বলা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নাজমুল তার জবাব বোর্ডে পাঠান বলে জানান বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়জুর রহমান মিতু। ১৮ জানুয়ারি তিনি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন, নাজমুলের চিঠি বিসিবি হাতে পেয়েছে।
এদিকে বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, বোর্ড সরাসরি কোনো নির্বাচিত পরিচালককে অব্যাহতি দিতে পারে না। একজন পরিচালক চার বছরের মেয়াদে নির্বাচিত হন। কেবলমাত্র নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে পরিচালক পদ শূন্য ঘোষণা করা যায়। এর মধ্যে রয়েছে—পরিচালকের মৃত্যু, মানসিক ভারসাম্যহীনতা, শৃঙ্খলাজনিত শাস্তি, আর্থিকভাবে দেউলিয়া ঘোষণা অথবা পরপর তিনটি বোর্ড সভায় অনুপস্থিত থাকা।