সারাদেশ

একই খাল আবার খনন, তিন বছরে ব্যয় বেড়েছে প্রায় আট গুণ


সারাদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ মার্চ ২০২৬, ১০:১২ এএম

একই খাল আবার খনন, তিন বছরে ব্যয় বেড়েছে প্রায় আট গুণ
ছবি: সংগৃহীত

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার মির্জা মামুদ খাল তিন বছর আগেই খনন করা হলেও আবারও তা খননের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে আগের তুলনায় প্রায় আট গুণ বেশি, যা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৪ দশমিক ৮৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালটি এবার ২ কোটি ৬১ লাখ টাকায় খনন করা হচ্ছে। অথচ ২০২২-২৩ অর্থবছরে একই খাল বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) ৩৪ লাখ টাকায় খনন করেছিল।

পাউবোর ব্যানারে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার (দুলু) দাবি করেন, আগের খনন ছিল শুধু কাগজে-কলমে, বাস্তবে হয়নি। এবার প্রকৃতভাবে খনন করা হবে এবং তদারকি জোরদার করা হবে।

অন্যদিকে বিএডিসির কর্মকর্তারা বলছেন, ২০২২ সালে প্রায় ৪ কিলোমিটার খননের মাধ্যমে খালটির নাব্যতা ফিরিয়ে আনা হয়েছিল এবং কৃষকেরা তা ব্যবহারও করছেন। তাদের মতে, বর্তমানে খালটি পুনরায় খননের প্রয়োজন নেই এবং এতে সরকারি অর্থ অপচয়ের আশঙ্কা রয়েছে।

প্রকল্প অনুযায়ী, খালটি ৪ ফুট গভীর ও ৬ ফুট প্রস্থ করে পুনঃখনন করা হবে। কাজটি পেয়েছে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

তবে পাউবোর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। এক উপবিভাগীয় প্রকৌশলী জানান, তিনি নতুন দায়িত্ব নেওয়ায় প্রকল্পটির পূর্ব ইতিহাস সম্পর্কে অবগত নন।

বিশ্লেষকদের মতে, একই খাল স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় খনন এবং ব্যয়ের বড় পার্থক্য প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রশ্ন তুলেছে।