সারাদেশ

পার্বত্য চট্টগ্রামে বৈষম্য নিরসন ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় পিসিএনপির ১১ দফা দাবি


সারাদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২৬ পিএম

পার্বত্য চট্টগ্রামে বৈষম্য নিরসন ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় পিসিএনপির ১১ দফা দাবি
ছবি: সংগৃহীত

পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্বস্তরের মানুষের সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, বৈষম্য দূরীকরণ, ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ এবং স্থায়ী শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১১ দফা দাবি ও ২০ দফা সুপারিশ পেশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি)। একই সঙ্গে পার্বত্য অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন, ভূমি ব্যবস্থাপনায় সংস্কার এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সংগঠনটি।

রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় বান্দরবান প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি ও সুপারিশসংবলিত প্রচারপত্র প্রকাশ ও বিতরণ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে সেগুলোর স্থায়ী সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ১১ দফা দাবি ও ২০ দফা সুপারিশ তুলে ধরেন পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান কাজী মো. মজিবর রহমান। তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত সব নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। জাতি, ধর্ম ও সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবার জন্য সমান অধিকার, ন্যায়বিচার এবং উন্নয়নের সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। এ জন্য ভূমি ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় সংস্কার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং যোগাযোগব্যবস্থাসহ অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে পাহাড়ের সব জনগোষ্ঠীর মধ্যে বৈষম্য কমিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ ও উন্নত সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিসিএনপির কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান কাজী মো. মজিবর রহমান। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির বান্দরবান জেলা সভাপতি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, সহসভাপতি আলহাজ আবদুস শুক্কুর ও নুরুল আলম, সাধারণ সম্পাদক মো. নাছির উদ্দীন এবং কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মো. শাহজালাল।

এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ ও ছাত্র পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, বৈষম্য নিরসন এবং শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে উত্থাপিত দাবিগুলো বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।