ক্যাম্পাস

ডাকসু নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত (ভিডিও)


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৫, ০২:০০ পিএম

ডাকসু নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত (ভিডিও)
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের দিন সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ভোটগ্রহণ ও গণনার সময়ও কেন্দ্রগুলো কর্ডন করে রাখবে সেনারা, যাতে বাইরের কেউ প্রবেশ করতে না পারে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি না হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সাতটি প্রবেশপথে সেনা সদস্যরা অবস্থান করবেন।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, ভোটের দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ থাকবে। এছাড়া নির্বাচনের সাত দিন আগে থেকেই হলগুলোতে কোনো বহিরাগত প্রবেশ করতে পারবে না। আজ থেকে ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হয়েছে। নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী পোস্টার, লিফলেট ও হ্যান্ডবিল ব্যবহারে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কোনো প্রার্থী মুক্তিযুদ্ধ, পারিবারিক বা ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে কাউকে অপদস্থ করলে প্রার্থিতা বাতিলসহ ছাত্রত্বও রদ করা হতে পারে। প্রচারণা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত চলবে, তবে ছাত্রীদের হলগুলোতে রাত ১০টার মধ্যে শেষ করতে হবে।

গতকাল মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে ২১ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। একই সঙ্গে ৩৪ জন প্রার্থীর বাতিল হওয়া মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের নিরাপদ ও সুষ্ঠু আয়োজনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। বৈঠকে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা, ক্যাম্পাসের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং নির্বিঘ্নে ভোট গ্রহণ ও গণনা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, প্রার্থীরা কেবল সাদাকালো পোস্টার, লিফলেট ও হ্যান্ডবিল ব্যবহার করতে পারবেন। দেয়াল, গাছপালা, যানবাহন বা বৈদ্যুতিক খুঁটিতে পোস্টার লাগানো যাবে না। ধর্মীয় উপাসনালয়, শ্রেণিকক্ষ ও পরীক্ষার হলে প্রচারণা চলবে না। ভোটারদের কোনো উপঢৌকন দেওয়া, আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেওয়া বা গুজব ছড়ানোও নিষিদ্ধ। সভা-সমাবেশ বা শোভাযাত্রা করতে হলে অন্তত ২৪ ঘণ্টা আগে প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিতে হবে। আচরণবিধি ভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা জরিমানা, প্রার্থিতা বাতিল বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারসহ আইন অনুযায়ী দণ্ডের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আগামী ৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টায় ভোট গ্রহণ শুরু হবে। নির্বাচনী প্রচারণা ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।