রাজনীতি
ড. ইউনূস সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন চাই না: বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান
বিএনপির পদ স্থগিত হওয়া নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান বলেছেন, তিনি ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়ে আশাবাদী নন। তার মতে, নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এমনকি নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন হওয়াকেও তিনি অনুচিত বলে মন্তব্য করেছেন।
বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) একটি দৈনিক গণমাধ্যম-এর মাল্টিমিডিয়াকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ফেব্রুয়ারি মাসে ইলেকশন হবে—এটা আমি নব্বই পার্সেন্ট বিশ্বাস করি না, যদিও আমার দল বিশ্বাস করে। আর ইউনূস সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন হোক—এটা আমি চাই না।”
তিনি অভিযোগ করেন, এ সরকারের অধীনে নির্বাচনী প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হবে না। তার ভাষায়, “এই ইলেকশনটা হলে পরে ডাকসু নির্বাচনের মতোই ‘ডাইস’ বানিয়ে রাখা হবে। রিটার্নিং অফিসার থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায় পর্যন্ত সব কিছু জামায়াতের পক্ষে সাজানো আছে। খেলাটা কীভাবে হবে, তার ফিতা আগেই তৈরি।”
ড. ইউনূসের সঙ্গে জামায়াতের সম্পর্কের বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন ফজলুর রহমান। তিনি বলেন, “ইউনূসের সঙ্গে জামায়াতের সম্পর্কটা রাতের সম্পর্ক। দিনের বেলায় একরকম, আর রাতে আরেক রকম। এর ফলে বিএনপি ও তারেক রহমানের রাজনৈতিক অবস্থানও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।”
তার দাবি, ড. ইউনূস সরাসরি না হলেও তার ঘনিষ্ঠ মহল রাজনৈতিক দল পরিচালনা করছে। তিনি বলেন, “ইউনূসের প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম নাহিদ ইসলামকে প্রধানমন্ত্রী বানিয়ে রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। এটা আসলে আগেই একটি রাজনৈতিক খেলার অংশ।”
বিএনপির স্থগিত পদধারী এই নেতা আরও বলেন, তিনি কেবলমাত্র তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন চান। “তত্ত্বাবধায়ক সরকার তিন মাসের জন্য গঠিত হবে। আইন অনুযায়ী তারা তাদের উপদেষ্টাদের নিয়ে ১২০ দিনের মধ্যে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করবে।”