অর্থনীতি

খুব বেশি হলে আর ৭-৮ মাস আমরা সরকারে দায়িত্বে থাকছি: অর্থ উপদেষ্টা


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৫, ০৩:৩৩ পিএম

খুব বেশি হলে আর ৭-৮ মাস আমরা সরকারে দায়িত্বে থাকছি: অর্থ উপদেষ্টা
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বেশিদিন থাকছে না বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তাঁর ভাষায়, “এই সরকার খুব বেশি হলে আর ৭-৮ মাস দায়িত্বে থাকবে।” একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, এই সময়ের মধ্যে কিছু মৌলিক অর্থনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়নে তাঁরা খুবই আন্তরিকভাবে কাজ করছেন।

বুধবার (৯ জুলাই) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত ‘অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড অডিটিং সামিট’-এ “বাংলাদেশের অর্থনৈতিক শাসনে এফআরসির ভূমিকা ও প্রভাব” শীর্ষক অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন তিনি।

ড. সালেহউদ্দিন বলেন, “আমরা দীর্ঘমেয়াদি বা মধ্যমেয়াদি সংস্কারে যাচ্ছি না। তবে যতটুকু মৌলিক সংস্কার শুরু হয়েছে, তার বাস্তবায়নের চেষ্টা করব। এই পথ সহজ নয়, অনেক প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। বাইরে থেকে অনেক কিছু সহজ মনে হলেও বাস্তবতা অনেক জটিল।”

তিনি আরও বলেন, “এই অল্প সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি ব্যবসায়ী সমাজ এবং ঋণদাতা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি এবং সমর্থন পেয়েছি। তারা আমাদের সংস্কার কার্যক্রমে ইতিবাচক সহযোগিতা করছে, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।”

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ফাইনান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল (এফআরসি)-এর চেয়ারম্যান ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মোমেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মানসুর এবং ঢাকায় নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর সোলেয়মান কুলিবালি।

সামিটের উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়রুজ্জামান মজুমদার।
স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্বব্যাংকের লিড গভর্ন্যান্স স্পেশালিস্ট সুরাইয়া জান্নাত।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস ইনস্টিটিউটের (আইসিএবি) সভাপতি এন কে এ মবিন এবং কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস ইনস্টিটিউটের (আইসিএমএবি) সভাপতি মাহতাব উদ্দিন আহমেদ।

উল্লেখ্য, অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনতে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যা বাস্তবায়নের জন্য সময়সীমা সীমিত হলেও সরকারি নীতিনির্ধারকেরা তা সফলভাবে সম্পন্ন করতে বদ্ধপরিকর।