অর্থনীতি

৮৯২ কোটি টাকায় ১ লাখ ৪০ হাজার টন সার কিনছে সরকার


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৫, ১০:৩৫ পিএম

৮৯২ কোটি টাকায় ১ লাখ ৪০ হাজার টন সার কিনছে সরকার
ফাইল ছবি

কৃষিক্ষেত্রে চলতি মৌসুমে সারের চাহিদা মেটাতে রাশিয়া, মরক্কো ও কানাডা থেকে মোট ১ লাখ ৪০ হাজার টন সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এসব সার আমদানিতে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৮৯২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।

বুধবার (২৩ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

বৈঠক শেষে জানা যায়, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান জেএসসি ফরেন ইকোনমিক করপোরেশন ‘প্রডিংটরক’-এর সঙ্গে বাংলাদেশের বিএডিসির রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় ৩০ হাজার টন এমওপি সার আমদানি করা হবে। এতে ব্যয় হবে ১২৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম ধরা হয়েছে ৩৫১ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার।

এছাড়া মরক্কোর ওসিপি ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে চুক্তির আওতায় আনা হবে ৩০ হাজার টন টিএসপি সার এবং ৪০ হাজার টন ডিএপি সার। টিএসপি সার আনতে খরচ হবে ২১১ কোটি ৮১ লাখ টাকা। অন্যদিকে ডিএপি সারের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৭৮ কোটি ২২ লাখ টাকা। প্রতি মেট্রিক টনে এই দুই ধরনের সারের দাম যথাক্রমে ৫৭৪.৫০ ও ৭৭০ মার্কিন ডলার।

কানাডা থেকেও আনা হবে আরও ৪০ হাজার টন এমওপি সার। এ জন্য ব্যয় হবে ১৭২ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। এই সারের দামও রাশিয়ার সমান, অর্থাৎ ৩৫১ দশমিক ৫০ ডলার প্রতি মেট্রিক টন।

কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের এসব চুক্তির ফলে দ্রুত সময়ের মধ্যে সার দেশে পৌঁছানো যাবে। এতে করে আসন্ন চাষাবাদে সারের সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা কমবে।

উল্লেখ্য, দেশের ফসল উৎপাদনে টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি—এই তিন ধরনের রাসায়নিক সারের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। সরকার চলতি বছরেই কয়েক দফা সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে। এখন এসব সার মাঠ পর্যায়ে পৌঁছাতে কাজ করছে কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)।